এমবিবিএস এফসিপিএস এমআরসিপি এফআরসিপি
পূর্ব প্রকাশের পর
(ঘ) সবশেষে বস্তুগত দিক দিয়ে সাহায্য প্রার্থীর দুঃখ দুর্দশা লাঘব এবং ধারণ ক্ষমতার সামর্থ বাড়ানো যায়।
আমার মনে হয় এটা একটা আশ্চর্যজনক সাইকোথেরাপির সারমর্ম এবং মানসিক রোগ আরোগ্যের বিষয়ে সবকিছু। একটি সারমর্ম যা প্রাচ্য প্রাতীচ্যের বিপরীতমুখী সাময়িক সমীক্ষাগুলোকে শুধুই একত্রিত করে না বরং এর দ্বারা বহুবিধ ধর্মীয়, মেডিকেল এবং পূর্বের অশিক্ষিত হাঁতুড়ে সমীক্ষকদের সমীক্ষণের পদ্ধতিগুলোকেও সমিমলিত করেছে, যা বলে এসেছি আমাদের ইতিহাসের শুরু থেকে। প্রকৃতপক্ষে আমরা যখন থেকে ইতিহাস লেখা শুরু করেছি তার পূর্বের সমীক্ষণকেও এতে একত্রিত করা হয়েছে। এভাবে মনোসমীক্ষণের একত্রিকরণ মনোসমীক্ষণকে অন্যান্য চিকিৎসা থেরাপি থেকে আলাদা করে না বরং এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে। The sine Que non যার ব্যতিরেকে সাইকোঅ্যানালাইসিস বা মনোসমীক্ষণ অথবা অন্য যে কোনো মনোসমীক্ষার উদ্ভব হতে পারত না।
সাধারণ মনোরোগ চিকিৎসা : বিশ্বব্যাপী মনোচিকিৎসা হয়ে উঠেছে একটি উদ্যোগী কাজ
বিংশ শতাব্দির ক্ষীয়মান বছরগুলোতে সাধারণ মনোচিকিৎসায় একটা জ্ঞানের ব্যাপৃতির অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। এটা অনেক পরম্পরাগত অঞ্চল ছেড়ে অনেক নতুন অঞ্চলেও প্রসারতা পেয়েছে। কতটা উল্লেখিত হয়েছে ১৯৮০-র দশকের পূর্বে এবং অন্যদের বিগত শতাব্দি পূর্বে কদাচিত চিন্তা করা যেত। যৌন আচরণের বিষয়টি সাধারণ এবং নিদানতাত্ত্বিক উভয় ক্ষেত্রে ১৯৮০-র দশক থেকে প্রচুর পরিমাণে মনোযোগ পেয়েছিল। আংশিকভাবে মনোরোগ চিকিৎসার অবস্থান থেকে তৎপর হয়েছিল যা ছিল সমকামিতার অস্বাভাবিকতার বিপরীতমুখী। Fried man এবং Downey (1994) তাদের ব্যাপক পর্যবেক্ষণ দ্বারা বিষয়টির কতগুলো মূল্যবান মন্তব্য রাখেন, যার মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক নোট যে, ‘হোমোসেক্সুয়াল’ সংজ্ঞাটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সাধারণ ব্যবহারে আসেনি। তারা উল্লেখ করেন যে, এই অঞ্চলে প্রকৃত জনগণের সংখ্যা উল্লেখ করা ছিল অত্যন্ত কষ্টকর। কারণ যারা এ বিষয়ে রিপোর্ট করত তাদের নমুনার গড় সংখ্যা পুরুষ ও নারী সমকামীদের ওঠানামা করত যাথাক্রমে ২% এবং ১% পর্যন্ত। ৫-৮% পর্যন্ত পুরুষ এবং ২% পর্যন্ত নারীদের মধ্যে।
অধূনাকালের গবেষণায় সমকামীদের মধ্যে পুনঃপুনঃ উর্দ্ধহারে কোনো মানসিক বিকৃতি দেখা যায়নি এবং কোনো সত্য উপাত্তও পাওয়া যায়নি যার দ্বারা পুরনো দিনের মনোসমীক্ষণের স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নেয়া প্রাধান্য বিস্তারকারী মা এবং নিষিক্রয় বৈরী পিতাকে সমকামিতার প্রতিনিধি বলে ধরে নেয়া যায়। একইভাবে সেখানেও এমন কোনো উপাত্ত নেই যা প্রকাশ করে দেয় যে, সমকামী পুরুষরাই কেবলমাত্র মনোসমীক্ষণের মাধ্যমে পরিবর্তন লাভ করে এমন লোকে পরিণত হতে পারে যাদের রয়েছে Heterosexual fantacies বা বিপরীত লিঙ্গের দিকে ধাবিত হওয়ার কল্পনাপ্রবণতা এবং নারীদের প্রতি আকর্ষণের অনুভব। সমসাময়িকতার প্রেক্ষিতে উপাত্তসমূহে সমকামীদের আপত্তি সম্পর্কিত যে পূর্ব প্রবণতা রয়েছে তাকে প্রাথমিকভাবে সাংগাঠনিক বলে বিশ্বাস করা হয়, তাকে প্রকৃতিগতভাবে সাইকোডায়নামিক মনে করা হয় না। (সাইকোডায়নামিক হচ্ছে, মানুষের ব্যবহারিক এবং উদ্দেশ্যমূলক অবস্থার বিজ্ঞান বিশেষ)।
এই অবস্থার জন্য সাক্ষ্য আসে অসংখ্য দিক থেকে। Dizygotic Twins-এর তুলনায় Monozygotic যমজদের নিয়ে গবেষণায় অনেক বেশি সংখ্যায় সমকাতিার জন্য ঐকতান লক্ষ্য করা গেছে। মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ক গবেষণা দুগ্ধপায়ী প্রাণীদের মধ্যে যৌন পুর্বাভিমুখীনতা সংগঠন করার কাজে জন্মের পূর্ব থেকেই একটা প্রামাণিক Androgens-এর ভূমিকা পালন সম্বন্ধে সত্যতা স্থির করেছে। এর দ্বারা জানতে পারা গেছে যে, পিতামাতার androgen-এর ঘাটতি পুরুষের সমকামিতার পূর্বপ্রবণতা বাড়ায়। পিতামাতার androgen-এর আধিক্য নারীদের সমকামীতার প্রবণতা আনে। এই সম্পর্ক দ্বারা বোঝা যায় যে, পিতামাতার androgen-এর অবস্থা বা ভাগ্যের পরিবর্তন মানুষের জীবনের যৌনতার পূর্বাভিমুখীনতা স্থির করতে পারে তার সাথে সম্পর্ক আছে কোনো ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য আশ্চর্যজনক বস্তু যেমন অমসৃণ এবং গড়িয়ে পড়ে খেলা। যার উপস্থিতিতে বালকদের মধ্যে পরবর্তীতে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণের পছন্দিতা জড়িত হয়ে পড়ে এবং যার অনুপস্থিতি জড়িত হয়ে পড়ে পরবর্তী সমকামিতায়। বিগত ৫ বছর ধরে বিশেষ অধঃপুষ্পাক্ষ অঞ্চলের ঘনফলের পার্থক্য নিয়ে প্রতিবেদন এসেছে। এটা ঘটেছে সমকামী পুরুষের বিপরীতে। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ অনুভবকারী পুরুষের মধ্যে কিন্তু এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরো অপেক্ষা করার প্রয়োজন আছে। সমকামীতাকে বুঝে ওঠার বিষয়ে তাদের অত্যাধুনিক অবদানে Friedman এবং Downey (1995) Oedipus (পুরুষ শিশুদের মায়ের প্রতি বিদ্বেষ সম্বন্ধীয়) মনোবৃত্তির মনোসমীক্ষণের ধারণাকে পুনঃপরীক্ষা করেছিলেন। লেখক ফ্রয়েডের কেন্দ্রীয় মনোবৃত্তির বা Central Complex-এর Hypothesis (অনুমিতি একটি অনুমান বিশেষ, যা কোনো ঘটনা প্রসূত শ্রেণী বিশেষের কারণ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়ে থাকে) ফ্রয়েডের স্থির অবস্থান, যেখান থেকে তার পেশাদারী জীবনে কখনো সরে আসেননি। তা ছিল এই যে একটি ছোট বালক তার মায়ের প্রতি অজাচারের মনোভাব গোপনে অন্তরে ধারণ করে যা তার পরে পিতার অনুকূলে তাকে পরিত্যাগ করতে হয়-যাকে বালকটি প্রথমে হত্যা করতে ইচ্ছা করে কিন্তু তারপর যত সময় অতিবাহিত হতে থাকে তার মধ্যে ভালবাসা এবং প্রতিযোগিতার উদ্ভব হয়।
ফ্রয়েড মনে করতেন যে, শিশুর অজাচার ইচ্ছাকে পরিহার এবং তৎপরবর্তীতে পিতার নৈতিক মূল্যবোধকে স্বীকার করে নেয়ার মধ্যে তার সুপার ইগো বা আত্ম অহমবোধ জাগরণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় অর্থাৎ তারমধ্যে চিন্তাশীলতার উদ্ভব গঠন হতে থাকে। ফ্রয়েড Oedipus Complex-কে স্নায়ুশূলের উৎস হিসেবে মীমাংসা করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। বিগত কয়েক বছর পর্যন্ত এই ধারণা বিচার-বিবেচনার মধ্যে এসেছে। আজকের দিনে পূর্বের যে কোনো সময়ের চেয়ে আমরা বেশি জানি যে, রোগের কারণতত্ত্ব বিষয়ক উপাত্তগুলোর পূর্ণ একপ্রস্থ যা এককভাবে অথবা মিশ্রিতভাবে, বিভিন্নপ্রকার মানসিক রোগের উদ্ভব ঘটায়। এই উপাত্তগুলোর অনেকগুলোই হচ্ছে জন্ম বা উৎপত্তি বিষয়ক। সাংগাঠনিক সম্বন্ধীয়, আঘাতজনিত এবং Oedipal Triangle-এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। তারপর আরো একটি শিশুর লিঙ্গের পরিচয় মনে হয় Oedipal phase শুরু হওয়ার পূর্বেই অঙ্কুরিত হয়, শারীরিক শক্তি দ্বারাই প্রাথমিক আকার ধারন করে, তারমধ্যে থাকে পিতামাতার অ্যানড্রোজেনের সাংগাঠনিক ক্রিয়াকর্ম যেভাবে উপরে বর্ণিত হয়েছে। তার সাথে এখন আমরা আরো জানি যে ছোট বালকদের পরিচিতিতে Castration anxiety বা খোঁজা করার দুশ্চিন্তা নিয়ে কিছুই করার নেই। তাদের পিতৃহন্তা বিষয়ক কোনো কঠিন ইচ্ছাকে সমাদর করতে হয় না এবং তাদের মায়েদের প্রতি অজাচারের ইচ্ছাকেও কম ধারণ করে রাখতে হয়। আমরা যেভাবে প্রত্যক্ষ করেছি, চরিত্রগঠন বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন যে, যেসব শিশু ঐকতানীয় পরিবারে জন্ম নিয়ে লালিত-পালিত হয়েছে তারা তাদের মা বাবার ও অন্য সহোদরদের প্রতি যৌন অনুভূতির একটা দমন নীতির অভিজ্ঞতা লাভ করেছে। যখন অজাচারের ইচ্ছা প্রবলভাবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে অথবা আচরিত হয়েছে, তারা সাধারণভাবে বিচ্ছিন্নতার অথবা একত্রীকরণ পদ্ধতিতে অস্বাভাবিকতার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।
Oedipus-এর বিষয়ে অতিকথন যা sophocles তার লেখায় বর্ণিত করেছেন, তা নিজেই কিছুটা সন্দেহের উদ্রেক করে। জন্মের সাথে সাথে দূরে সরিয়ে দেয়া যে সে ভবিষ্যতে অজাচার করবে না। Oedipus হঠাৎ করে তার সহজাত অবস্থায় ফিরে আসে, পথে সে Laius কে হত্যা করে যাকে তার পিতা হওয়ার কথা জানার কোনো সুযোগই হয়নি। পরে সে Jocasta-র সাথে মিলিত হয় যাকে সে যতটুকু বলতে পেরেছে যে, তিনি ছিলেন Thebes-এর একজন বর্ষীয়সী আকর্ষণীয়া মহিলা। এটা কোনো অজাচার ছিল না, কারণ সেখানে অজাচারের কোনো সজ্ঞানতা ছিল না। এখানে শুধু নাট্যকার ও দর্শকরাই এর মধ্যে জড়িত হয়েছে। কিন্তু গ্রিসের যে কোনো স্থানে এই প্রকৃত অবস্থাটার উদাহরণ অবশ্যই থেকে থাকবে অথবা Sophocles-এর প্রয়োজন ছিল প্রথম অবস্থাতেই অজাচারকে নিয়ে বিলাপ করার? এবং এথেন্সবাসীর সেই অজাচারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে অবশ্যই কষ্ট হতো, যে অজাচার সংগঠিত হয়নি। অথবা কেনই বা Sophocles কে কুশলী হস্তে তার নাটকে চাতুর্যের সাথে তাদের স্মরণ করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন ছিল, যার উৎকর্ষ সাধিত নাট্যরূপ আমাদের নিকট পর্যন্ত পৌঁছেছে। Friedman এবং Downey (1995) প্রাথমিক যৌন মন সম্বন্ধীয় উন্নতি নিয়ে আমাদের বুঝ ব্যবস্থার মধ্যে যেসব পরিবর্তন উপস্থাপন করেছেন তা হচ্ছে এই : পিতামাতার androgenes (এক জাতীয় হরমোন যা পুংশক্তিকে সবল রাখে)-এর সাংগাঠনিক ফলোৎপাদনের ক্ষমতাকে শারীরিকভাবে একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সহজাত প্রবণতা রয়েছে যে, তারা নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে অনুভব করে। ছেলেরা তাদের পিতার প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বি, শত্রুভাবাপন্ন, প্রতিযোগী এবং ঘনঘন মারমুখো হয়ে ওঠে। তার বিপরীতে পিতাদেরও তদ্রূপ হতে হয়। এই ধরনের অনুপ্রেরণাসমূহ অমসৃণ এবং গড়িয়ে যাওয়া খেলার সাথে সম্পৃক্ত মায়ের জন্য তার ভালবাসার সাথে নিয়তভাবে জড়িত নয়। প্রতিক্রিয়াশীলও নয়। প্রকৃতপক্ষে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, অসম্পূর্ণ এবং গড়িয়ে খেলা এবং পুরুষ-পুরুষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রাধান্য বিস্তার অথবা আনুগত্য স্বীকারের পারসপরিক সম্পর্কের পূর্বাভিনয় বা মহড়ার অভিযোজনীয় ক্রিয়া হিসেবে কাজে লাগে। তা হচ্ছে অপরিত্রাণযোগ্য মনুষ্য সমাজের অংশবিশেষ।
Friedman এবং Downey (1995) স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরে নিয়েছিলেন যে, যৌনতা, অমসৃণ এবং গড়িয়ে খেলা হচ্ছে দুইটি ভিন্নধর্মী উন্নতির রাস্তা যা দুইটি ভিন্ন প্রাণ রসায়নের মধ্যস্থতা দ্বারা ব্যক্ত হয়ে থাকে। একটি রাস্তা ধরে পুরুষ শক্তিকে সবল রক্ষাকারী হরমোন মৌলিক উপাদান প্রস্তুত হয় না। এই সকল অ্যানড্রোজেনের দ্বারা তৈরিকৃত উভয় লিঙ্গের মধ্যস্থিত উত্থান-পতন অনেক বড় ধরনের আক্রমণপ্রবণতার সৃষ্টিতে সহায়তা করে এবং আমাদের প্রজন্মের মধ্যে নারীদের তুলনায় অনেক বেশি পুরুষকে হত্যা করে। যেভাবে Edmund Wilson (1978)
আক্রমণাত্মতাকে ব্যাখ্যা করেছেন, তা হচ্ছে যে এটা আমাদের চরিত্রের অংশ বিশেষ বা প্রকৃতির অঙ্গ। এটা একটা নিষ্ঠুর পরিবেশের মধ্যে বড় হওয়ার কারণে সংগঠিত হয় না, যদিও এই ধরনের উপাত্তসমূহ দ্বারা এর অবস্থার অবণতি হয়ে থাকে।
ইদানীংকালের নিউরোবায়োলজিক্যাল বা স্নায়ুতন্ত্রের শরীরতত্ত্বীয় যে গবেষণা করা হয়েছে যৌনতার স্বাতন্ত্র নিয়ে এবং rough and tumble play-এর বিভিন্নতা নিয়ে, তাতে মানুষের জীবনের অন্ধকারাচ্ছন্ন এই অবস্থাকে আলোকোজ্জ্বল করতে সাহায্য করেছে। এটা আমাদের আরো অনেক বেশি সহজবোধ্য যৌন আবেগের পরিপ্রেক্ষিত সম্বন্ধীয় থিওরি তৈরিতে সাহায্য করেছে যা ফ্রয়েডের সময়েও সম্ভব হয়নি। Friedman এবং Downey ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু ফ্রয়েড তার অনেক অনুসরণকারীদের চেয়ে বেশি জীববিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকে ছিলেন আমরা তাদের দ্বারা উদ্ভাবিত Oedipal theory-এর ওপরে অনেকগুলো মোডিফিকেশন উদ্ভাবন করে থাকব।
- চলবে



