ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
হুজুর, আসসালামু আলাইকুম। আমি যে সমস্যায় আক্রান্ত এই সমগ্র ভূখণ্ডে অন্য কারো এই ধরনের সমস্যা আছে বা হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আমি সব রকম চেষ্টা করেছি। শেষ আশা শেষ ভরসা হিসেবে আমি আপনার শরণাপন্ন হয়েছি হুজুর। এই সমস্যাটা এমন যে, আমি মুখ ফুটে কাউকে বলতেও পারি না, কেউ জানুক এটা আমি একদমই চাই না।
ক্লাস এইট পর্যন্ত আমি অন্যান্য সাধারণ মুসলিমের মতোই ইসলামকে ভালোভাবে না মানলেও হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করতাম। ভুল করেও কখনো ইসলামের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ মনের মধ্যে আসত না। আমার বরাবরই ইচ্ছা ছিল এখনো তাই যে ইসলাম আমার কাছে ঠিক যেমনটা আশা করে আমি ঠিক সে রকম হব। এক বিন্দু এদিক-সেদিক হবে না। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, ক্লাস নাইনের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ করে আমার কী যেন হলো! আমি সহজে কোনো পড়া মুখস্থ করতে পারতাম না, কোনো কিছু মনে রাখতে পারতাম না, খাওয়ার রুচি একেবারেই কমে যেত। আর সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটা হতো সেটা হলো আমি আল্লাহর কথা পুরোপুরি ভুলে যেতাম, ইসলামের সবকিছুই কেমন যেন অদ্ভুত লাগত, সন্দেহজনক মনে হতো, মিথ্যা মনে হতো, আর শুধু মনে হতো আল্লাহ বুঝি এখানে আল্লাহ বুঝি ওখানে, কিন্তু আমি কখনোই আল্লাহর অবস্থান নিয়ে চিন্তা করতে চাইতাম না। কিন্তু না চাইলেও এই জিনিসগুলোই কীভাবে যেন আমার মধ্যে চলে আসত। আমি হাজার চেষ্টা করেও দূর করতে পারতাম না। মোদ্দা কথা আমি মনের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলতাম।
এভাবে ৫-৬ দিন চলত। তারপর আপনা থেকেই আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যেত। ৫-৬ দিন সবকিছু স্বাভাবিক থাকার পর আবার আগের মতো খারাপ হয়ে যেত। এভাবে দুই বছর চলল। আমার অবস্থা যখনর খারাপ থাকত তখন সবাই বলত আমি রাত জেগে পড়াশোনা করি, ঠিকভাবে খাই না, তাই আমার এমন হয়। কিন্তু আমি খুব বুঝতাম হুজুর, আমার অনিয়মিত খাবার-দাবার বা রাতজেগে পড়াশোনা এসব কিছুই না সমস্যাটা ছিল আমার বিশ্বাস নিয়ে।
আমার তখন খুব মনে হতো ইস! আমার ঈমানটা যদি অনেক সুন্দর হতো, আমি যদি হৃদয় দিয়ে আল্লাহকে ডাকতে পারতাম, নিজেকে পুরোপুরি আল্লাহর রঙে রাঙাতে পারতাম তাহলে আমার সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যেত। খাওয়া-দাওয়া, পড়াশোনা সবকিছুতেই আমি (Punctual) হতাম।
এসএসসি পরীক্ষার পর আমার অবস্থা যখন খারাপ ছিল বিশেষ করে আমার বিশ্বাস নিয়ে যখন গণ্ডগোল দেখা দিল তখন সহ্য করতে না পেরে আমি আমার মাকে আসল কথাটা একটু বলে ফেললাম। বললাম, আমমা আমার মনে হয় আল্লাহ নেই, কথাটা শুনে আম্মা আমাকে অনেক ধমক দিলেন। কিন্তু একজন নাস্তিকের মতো আমি এই মানসিক অবস্থার ওপর মোটেই সুখী ছিলাম না। তখন আমার কোনো কিছুই করতে ইচ্ছা করত না। গোসল, খাওয়া-দাওয়া কোনো কিছুই ভালো লাগত না। কিন্তু চাইলেও আস্তিক হতে পারতাম না। কিন্তু খুব অনুভব করতাম যে আমি যদি পুরোপুরি আস্তিক হতে পারতাম, আমার আশপাশের মানুষের মতো আমারও যদি ইসলামের ব্যাপারে কোনো সন্দেহ না থাকত তাহলে আমি কখনোই তাদের মতো হতাম না। আমি আমার এই ঈমানটাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতাম। তখন আমার সবকিছু ভালো লাগত।
এরপর আম্মা আমাকে এক হুজুর দেখালেন। তিনি ঝাড়ফুঁক দিয়ে দিলেন। তার দুই দিন পরই মনে হয় আমি নতুনভাবে জেগে উঠলাম। নিয়মিত নামাজ পড়া শুরু করলাম, ঈমানের স্বাদ উপভোগ করতে লাগলাম। কারণ এই জিনিসটাকেই আমি বেশি মিস করতাম। আমার এত ভালো লাগছিল মনে হচ্ছিল পুরো পৃথিবীটাই বুঝি আমার। তখন আমি এক হোস্টেলে থেকে ইংরেজি প্রাইভেট পড়তাম। ওই হোস্টেলে আমি নিয়মিত তাফসির নিতাম, সবাইকে ডেকে ডেকে নামাজ পড়াতাম। আমি তাহাজ্জুদ পড়তাম ওদেরও উৎসাহিত করতাম। ওরা বলত আপু আল্লাহ মনে হয় আমাদের হেদায়াত দেয়ার উদ্দেশ্যেই আপনাকে এই হোস্টেলে পাঠিয়েছেন। আমি ওই হোস্টেলে সালামের অনেক সুন্দর প্রচলন করেছিলাম। চারদিকে মনে হয় সালামের ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হতো। এভাবে ইন্টার প্রথম বর্ষ চলল। দ্বিতীয় বর্ষে এসে আবার নাইন টেনের মতো অবস্থা শুরু হলো। কিন্তু আমি এই ব্যাপারে কাউকে কিছু বলতাম না। নড়বড়ে ঈমান নিয়ে যতটা পারতাম ইসলামকে মানতাম। সবাই আমাকে একটা ধার্মিক মেয়ে হিসেবেই জানত। আমি সব সময় দোয়া করতাম আল্লাহ তুমি আমার সন্দেহগুলো দূর করে দাও, আমাকে ইন্টারে এ+ দিও ইত্যাদি ইত্যাদি।
আল্লাহ আমাকে এ+ দিলেন ঠিকই কিন্তু খাঁটি ঈমান দিলেন না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাইয়ে দিলেন ঠিকই কিন্তু সুন্দর ঈমান দিলেন না।
কয়েক দিন আগে অন্য একটা হুজুর দেখিয়েছিলাম। সব শুনে পরদিন আমাদের বাড়িতে এলেন এবং বললেন তোমর রেজাল্ট অনেক ভালো, ভবিষ্যৎ অনেক ভালো। তুমি নামাজ কালাম পড়ো তাই শত্রুরা কুফরি কালাম করেছে। সব ঠিক হয়ে যাবে সব সন্দেহ দূর হয়ে যাবে। তিনি অনেক তাবিজ দিলেন। যা যা করতে বললেন সবই করলাম। একটা তাবিজ দিয়েছিলেন ওটা পানিতে চুবিয়ে একুশ দিন এভাবে খাওয়ার জন্য। মাঝখানে ২-১ দিন মিস হয়েছে মনের কোনো পরিবর্তন না দেখে হুজুরকে ফোন দিয়েছিলাম। তিনি শুধু বললেন পরিবর্তন তো হয়ে যাওয়ার কথা। পরে আব্বুকে বললেন দুর্বল তাই এমন লাগছে। ডাক্তার দেখাতে হবে।
আমি ইচ্ছা করেই দুর্বল হয়ে গিয়েছি হুজুর। খাওয়া-দাওয়া ঠিকভাবে করছি না। হৃদয়টাতে মনে হচ্ছে তালা দেয়া। আল্লাহ-রাসুলকে একদমই অনুভব করতে পারি না, ব্রেইনও ভালোভাবে কাজ করে না। ইসলামের কিছু অলৌকিক ঘটনা মনে করলে মনে হয় যে আল্লাহ অবশ্যই আছেন। ইসলাম অবশ্যই সত্য। কিন্তু এ অবস্থার ওপর আমি স্থির থাকতে পারি না। মনের অজান্তেই কীভাবে যেন আবার সন্দেহ চলে আসে। কিন্তু এই অবস্থাটা আমার একেবারেই কাম্য নয়। তাই নিজের ব্যাপারে এবার অনেক সিরিয়াস হয়ে গিয়েছি। হয় আল্লাহ আমাকে হেদায়েত দেবেন না হয় আমার মৃত্যু দেবেন। যদি কোনোটাই না করেন তবে আর আমি স্বাভাবিক থাকব না। আমি ইতিমধ্যে ক্লাসে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি। বুধবার থেকে ক্লাস টেস্ট শুরু হবে। সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঈমানটা ঠিক না হলে পরীক্ষাও দেব না। পরবর্তী স্টেপ আরো খারাপ হতে পারে।
আমার লক্ষ্য ছিল সবকিছু আল্লাহর জন্য করব আল্লাহকেই যখন পেলাম না তখন আমার পড়াশোনা দিয়ে আর কী হবে? আমি দেখেছি মানুষ হয় আস্তিক হয় না হয় নাস্তিক হয়। নায়ক-নায়িকরাও দেখি আল্লাহকে বিশ্বাস করে। তাদের মধ্যে এই ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। অথচ আমি যেখানে ভালো হতে চাই সেখানে আমাকে বারবার কুফুরির দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে কেন আমি জানি না। আমি সম্পূর্ণরূপে আস্তিকও হতে পারছি না আর নাস্তিক তো প্রশ্নই ওঠে না। একটা ইসলামিক বইয়ে পেয়েছিলাম না চাইলেও আল্লাহ সবাইকে সবকিছু দেয়। কিন্তু হেদায়েত শুধু তাকেই দেয়া হয় যে আন্তরিকভাবে চায়।
তাহলে আপনি কি একটু বললেন হুজুর আমার বেলায় আল্লাহ কোন নীতি অনুসরণ করছে। বিশ্বাস করুন হুজুর আমার চাওয়ার মধ্যে কোনো ঘাটতি নেই। আল্লাহ যদি আমার সবকিছু কেড়ে নেন, আমাকে কোনো দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত করেন তাহলেও আমার এতটুকু কষ্ট হবে না। বিনিময়ে আমাকে সন্দেহমুক্ত খাঁটি মুমিন হিসেবেই কবুল করে নিলেই আমি অনেক খুশি হয়ে যাব।
আমার বর্তমান অবস্থা খুবই খারাপ হুজুর। আমার হৃদয়টা মনে হয় যেন বদ্ধ। আমার মন মগজে ঈমানের ছিটেফোঁটাও নেই। মাঝে মাঝে কোত্থেকে যেন একটু ঈমান আসে আবার কীভাবে যেন চলে যায়।
অথচ এমন হওয়ার তো কথা ছিল না। আমার এ অবস্থার ইসলামিক কোনো সমাধান আছে কি? আমি আর পারছি না হুজুর। সবাই যার যার মতো ভাবছে কেউ ভাবছে আমি কোনো ছেলের প্রেমে পড়েছি, কেউ ভাবছে আমি দুশ্চিন্তা করি, কেউ ভাবছে আমি খাওয়া-দাওয়া ঠিকভাবে করি না, কেউ বলছে আমাকে বিয়ে দিলে সবকিছু হয়ে যাবে।
কিন্তু বিশ্বাস করুন হুজুর আমার এই ঈমানী সমস্যাটা ছাড়া আর কোনো সমস্যা নেই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমি আল্লাহকে হৃদয় দিয়ে বিশ্বাস করতে পারলে আমার সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আমার পরিবার আমাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছে। কিন্তু আমি এই মানসিক অবস্থা নিয়ে বিয়ে করতে চাই না। এতে একটা ছেলের জীবন নষ্ট হবে। কারণ আমার ঈমান ঠিক না হলে আমি কোনো স্বাভাবিক আচরণ করব না। সবাই ভাবছে আমার বর্তমান অবস্থাটা ইচ্ছাকৃত। কিন্তু হুজুর আমি অনেক চেষ্টা করেছি আমার ঈমানটাকে ঠিক করার জন্য। কিন্তু পারছি না। আমি এখন নামাজও পড়ি না। সন্দেহ নিয়ে কি নামাজ পড়া যায়? সন্দেহ কাজ করে বলে আমি এখন দাওয়াতি কাজও করতে পারছি না। কেউ কেউ ভাবছে আমি আমার দায়িত্বে অবহেলা করছি।
কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমার যদি ঈমান থাকত তাহলে আমার চেয়ে ভালো মুসলিম কেউ হতে পারত না। আমি এখন কী করব হুজুর? আমি যদি এখন মরে যাই তাহলে জান্নাতে যাব না জাহান্নামে যাব। আল্লাহ যদি সত্য হয়ে থাকে হাশর যদি সত্য হয়ে থাকে তাহঠে আমার চিঠিটা সেদিন সাক্ষী হিসেবে থাকবেই কারণ আমি বেঈমানদার হতে চাই না।
‘মানুষ মরণশীল’ এই প্রবাদবাক্যটি এক সময় অন্য সবার মতো আমিও নির্দ্বিধায় বিশ্বাস করতাম। ভুল করেও কখনো এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ কাজ করতাম না। কিন্তু এখন মানুষ মরবে কি মরবে না এ ব্যাপারেও আমার সন্দেহ হয়। এ বিষয়টা আমার মাথায় কাজই করে না। এ বিষয়টা নিয়ে ভাবতে গেলেই আমার মাথাটা গরম হয়ে যায়।
পৃথিবীর সব মনীষীর কথা (হযরত মুহামমদ (স.) এবং সব ধর্মের (ইসলাম ধর্ম ছাড়া) কথা আমার অবলীলায় বিশ্বাস হয়, মনে হয় এসব কথা ও ধর্মের একটা ভিত আছে। আমি স্বাভাবিকভাবে এগুলো চিন্তা করতে পারি।
কিন্তু বাধ সাধে যখন আমি ইসলাম ধর্ম নিয়ে চিন্তা করতে যাই। মনে হয় আল্লাহ বলে কেউ নেই, কোরআন রাসূলের লেখা, রাসূলের কথা মিথ্যা, সব নবীদের কথা মিথ্যা, পৃথিবীর সব ক্রোধ যেন আমার ইসলাম ধর্মকে নিয়ে। আমি নিরপেক্ষভাবেও ইসলাম ধর্মকে চিন্তা করতে পারি না। আমার মনে হয় আমি যদি নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করতে পারতাম তাহলে ইসলাম ধর্মকেই গ্রহণ করতাম।
ইসলাম নিয়ে আল্লাহ ও তার রাসূল (স.) নিয়ে আমার শুধু সন্দেহ কাজ করে। কিন্তু হুজুর আমার মন আল্লাহর কথা বলে। আমার মন বলে আমি যদি পারফেক্ট মুসলিম হতে পারতাম সবকিছু আল্লাহর জন্য করতে পারতাম ঠিক জাকের নায়েকের মতো মানুষকে দ্বীনের দিকে আহ্বান করতে পারতাম সব ক্ষেত্রে মানুষের অনুকরণীয় আদর্শ হতে পারতাম, ক্লাসে রেসপন্ড করতাম, ক্লাসের সব পরীক্ষায় ও ফাইনালে প্রথম স্থান অধিকার করতাম আর এ প্রথম হওয়াটাকে শুধুমাত্র দাওয়াফত কাজের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে পারতাম, আমার কথায় যদি দলে দলে মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আসত, আমাকে দেখলেই যেন মনে হতো একটা জীবন্ত কুরআন হেঁটে যাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি তাহঠে আমার আর কিছু লাগত না। আমার কোনো চাওয়াই আর অপূর্ণ থাকত না। আমি সবচেয়ে বেশি সুখী হতাম। এখন আমার আরেকটা যে সমস্যা হয় সেটা হলো প্রশ্ন সব কমন পড়লেও পুরো উত্তর লিখতে পারি না। একটা অযথাই অনেক বড় করে লিখে ফেলি আর আরেকটা লিখতেই পারি না। আবার দেখা যায় ক্যালকুলেটরে একটা অঙ্ক করলাম কিন্তু করার পর মনে হয় যেন অঙ্কটা হয়নি, কোনো বাটন মনে হয় ভুল চেপেছি। পরে আবার সেটা করি। এমনো হয়েছে আমি পরীক্ষার হলে এক অঙ্ক দশবারও করেছি। ফলে আরেকটা অঙ্ক ভালোভাবে করতে পারিনি। আমার মনে হয় আমার ঈমানী সমস্যাটার জন্যই এ রকম হয়। আমার ঈমান ঠিক থাকলে আমি সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারতাম। আবার কোনো অঙ্ক একবার করলেই হয়ে যেত কারণ ক্লাস এইট পর্যন্ত আমার এ ধরনের সমস্যা হয়নি। তখন আমি প্রায় সকল পরীক্ষায় ভালো দিতাম। হুজুর আমি এই সমস্যাগুলো থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কী করব? আমার আর সহ্য হচ্ছে না আপনি যা বলবেন আমি তাই করব ইনশাআল্লাহ। এই ইনশাআল্লাহটাও কিন্তু মন থেকে বলতে পারি না। এমন কি সালামটাও অন্তর থেকে দিতে পারি না। মনে হয় সালাম কেন দেব? না দিলে কী হয়? সালামের ভিত্তি কী? শুধু সন্দেহ।



