কম্পিউটার সুরক্ষায় কার্যকরী অ্যান্টিভাইরাস
সম্প্রতি বিশ্বের প্রচলিত ১৩টি ব্রান্ডের অ্যান্টিভাইরাস পরীক্ষার পর জার্মানিভিত্তিক অ্যান্টিভাইরাস শনাক্তকারী প্রতিষ্ঠান এভি-টেস্ট ডট ওআরজি জানিয়েছে, বিশ্বের কম্পিউটার সুরক্ষায় অ্যান্টিভাইরাসের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সিমেনটেক নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১।
বর্তমানে নরটন অ্যান্টিভাইরাস ফাইল স্ক্রিনিংয়ের পাশাপাশি ওয়েব স্ক্যানিংয়ে ৯৮.৭ শতাংশ কার্য ক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে শীর্ষ আসনে উঠে এসেছে। এর আগে সিমেনটেক নরটন অ্যান্টিভাইরাসটি ব্যবহারে কম্পিউটার স্লো হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে এ তথ্য ভুল প্রমাণ করেছে, নরটন ৪৫০০ মেগাবাইট ডাটা স্ক্যান করতে সময় নেয় মাত্র ২৯১ সেকেন্ড। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ক্যাসপারস্কি অ্যাকটিভ ম্যালওয়ার স্ক্যানিংয়ের ক্ষেত্রে নরটনের মতোই ৮০ শতাংশ সফলতা অর্জন করেছে। অন ডিমান্ড স্ক্যান সিপডের দিক থেকে নরটন অ্যান্টিভাইরাস যেখানে ১২৯ সেকেন্ড সময় নেয় সেখানে ক্যাসপারস্কির প্রয়োজন হয় ১০৯ সেকেন্ড। তবে পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে এ ক্ষেত্রে ইসেস্ট স্মার্ট সিকিউরিটি সবেচেয়ে কম সময় নেয়। ৪৫০০ মেগাবাইট ডাটা অন ডিমান্ড স্ক্যান করতে এ অ্যান্টিভাইরাসটির প্রয়োজন হয় ৯০ সেকেন্ড।
এ ছাড়া ভাইরাস চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে পান্ডা ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১। অতিপরিচিত ভাইরাস ডিটেকশনের ক্ষেত্রে পান্ডা ৯৯.৮ ভাগ সফলতা অর্জন করেছে। আর আংশিকভাবে ম্যালওয়ার ব্লকিং অ্যাটাক ঠেকাতে সবচেয়ে বেশি সফলতা অর্জনের তালিকায় এগিয়ে আছে বিট ডিফেন্ডার ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিভাইরাসটির শতকরা সফলতার হার ২০ ভাগ। এভি টেস্ট রিপোর্ট অনুযায়ী, ওয়েব প্রটেকশনে এক ধাপ এগিয়ে আছে সিমেনটেক নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটি ২০১১।
নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটি ভার্সন কম্পিউটারের তথ্য পাচার রোধে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্টিভাইরাসের চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে রয়েছে। শতকরা ৯৬ ভাগ ক্ষেত্রেই এটি রিয়েল ওয়ার ম্যালওয়ার প্রতিরোধে সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছে। ফলে নরটন অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহারকারী সামাজিক নেটওয়ার্কভুক্ত সদস্যরা এখন অনেকটাই নিরাপদ। বর্তমানে নরটন ইন্টারনেট সিকিউরিটির মূল ইন্টারফেসটি চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছেন্ধ কম্পিউটার সেকশন, ইন্টারনেট সেকশন, আইডেনটিটি সেকশন ও সিপিইউ ইউজেস সেকশন। কম্পিউটার সেকশনে রাখা হয়েছে স্ক্যানিং হিস্টোরি, লাইভ আপডেট, কোয়ারান্টিন ভস্ফট ও স্ক্যানিং কন্ট্রোল। আর ইন্টারনেট সেকশনে রাখা হয়েছে ইনস্ট্রুশন প্রিভেনশন কন্ট্রোল, ই-মেইল স্ক্যানিং ও ফায়ারওয়াল অপশন। এছাড়া হোম নেটওয়ার্কের জন্য রয়েছে আলাদা অপশন। আইডেনটিটি সেকশনে রাখা হয়েছে অ্যান্টি-ফিশিং ও আইডেনটিটি ম্যানেজার। আইডেনটিটি ম্যানেজার দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফরম পূরণ, ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ ও পাসওয়ার্ড দেয়া সম্ভব। নরটন বুটটাইম, অ্যাপ্লিকেশন রান টাইম, ফাইল কপি অপারেশন, অ্যাপলিকেশন ইন্সটলেশন টাইম এবং ফাইল কম্প্রেশন ফিচার বিবেচনায় ২০১০ সালে ল্যাব টেস্টে সেরা অ্যান্টিভাইরাসের স্বীকৃতি লাভ করে।
তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ E = mc2
অ্যালবার্ট আইনস্টাইন সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বিখ্যাত বিজ্ঞানী। তিনি যেমনি সুপরিচিত, তেমনি সুপরিচিত তার বিখ্যাত E = mc2 সমীকরণটি। বিজ্ঞানের জগতে এত বিখ্যাত আর কোনো সমীকরণ দ্বিতীয়টি আছে কি না, তাতে সন্দেহ আছে। সমীকরণটি এত সুপরিচিত হলেও আমরা অনেকেই জানি না কী এর অর্থ। এ লেখায় এই সমীকরণের একটা ব্যাখ্যা তুলে ধরার প্রয়াস পাব।
আইনস্টাইনের বৈজ্ঞানিক দূরদৃষ্টি ও জ্ঞানের একটি অন্তর্নিহিত দিক ছিল। তিনিই সবার আগে উপলব্ধি করেন মেটার বা বস্তু এবং এনার্জি বা শক্তি আসলে একই বস্তুর দুটি রূপ। মেটারকে শক্তিতে রূপান্তর করা যাবে। আর শক্তিকে রূপ দেয়া যাবে মেটারে। একটা উদাহরণ দেয়া যাক। একটি সাধারণ হাইড্রোজেন অণুর কথা ভাবুন। মূলত একটি হাইড্রোজেন অণু তৈরি একটি প্রোটন দিয়ে। প্রোটন হচ্ছে অণু বা অ্যাটমের একটি সাবঅ্যাটমিক পার্টিকল। প্রোটন নামের এই সাবঅ্যাটমিক পার্টিকলের ভর বা সধংং ০. ০০০ ০০০ ০০০ ০০০ ০০০ ০০০ ০০০ ০০০ ০০১৬৭২ কেজি। ওই ভর নিশ্চিতভাবেই ছোট্ট একটি ভর। কিন্তু আমরা প্রতিদিন যেসব মেটার বা বস্তু দেখছি, তাতে আছে প্রচুর পরিমাণ অণু বা অ্যাটম। যেমনন্ধ এক কেজি বিশুদ্ধ পানিতে হাইড্রোজেন অণুর পরিমাণ ১১১ গ্রাম বা ০.১১১ কেজির চেয়ে সামান্য বেশি। আইনস্টাইনের ফর্মুলা আমাদের জানিয়ে দেয়, এই ভরের পুরোটাই যদি হঠাৎ করে এনার্জিতে রূপান্তর করা হয়, তবে তা কতটুকু এনার্জির সমান হবে। এই সমীকরণ আমাদের বলে, এই এনার্জির পরিমাণ বের করতে হলে আলোর গতির বর্গকে এর ভর দিয়ে গুণ করতে হবে।
E = এনার্র্জি বা শক্তি
m = ভর বা মাস = ০.১১১ কেজি, ওপরে দেয়া উদাহরণ অনুসারে
c = আলোর গতি = প্রতি সেকেন্ডে ৩০০ ০০০ ০০০ মিটার তাহলে আমরা পাচ্ছিন্ধ
E = mc2
= ০.১১১ দ্ধ ৩০০ ০০০ ০০০ × ৩০০ ০০০ ০০০ জৌল
= ১০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ জৌল
এই এনার্জির পরিমাণ অবিশ্বাস্য ধরনের বড়। অবশ্য এক জৌল খুব একটা বড় মাপের শক্তির একক নয়। মোটামুটিভাবে বলতে পারি একটি মাঝারি আকারের পাঠ্যবই হাত থেকে মেঝেতে ফেলে দিলে যে পরিমাণ এনার্জি বা শক্তির সৃষ্টি হয় তা ১ জৌল শক্তির সমান। কিন্তু ৩০ গ্রাম হাইড্রোজেন অণুর মধ্যে যে পরিমাণ এনার্জি আছে তা পাওয়া যাবে হাজার হাজার গ্যালন গ্যাসোলিন পোড়ানো হলে।
এর আগে আমরা ১ কেজি পানিতে থাকা ১১১ গ্রাম হাইড্রোজেন অণুর এনার্জির পরিমাণ বের করেছি। দেখেছি সে এনার্জির পরিমাণ ১০,০০০,০০০,০০০,০০০,০০০ জৌল। এবার আমরা পুরো এক কেজি পানির কথা বিবেচনা করি। এ পানিতে কিন্তু অক্সিজেনও আছে। এই ১ কেজি পানিতে থাকা অণুর এনার্জির পরিমাণ ১ কোটি গ্যালন গ্যাসোলিনের এনার্জির প্রায় সমান। এই সবটুকু এনার্জি কি বের করে আনা সম্ভব হবে? কখনো কি সম্ভব হয়েছিল? এই ১ কেজি পানির পুরোটাকেই এনার্জিতে রূপান্তর সম্ভব যদি পুরো পানিকে অ্যানিহিলেট বা ধ্বংস করে দেয়া যায়। এ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন মেটার বা বস্তুর পুরোপুরি ধ্বংসসাধন। আর তা শুধু তখনই সম্ভব, যখন মেটারের সাথে সমপরিমাণ অ্যান্টিমেটারের সাক্ষাৎ ঘটে। অ্যান্টিমেটার সেই বস্তু দিয়ে গঠিত যার চার্জ ঋণাত্মক। অ্যান্টিমেটারের অস্তিত্ব আছে। তেজস্ক্রিয় পদার্থের ক্ষয় বা রেডিওয়্যাকটিভ ডিকেতে এটি পর্যবেক্ষণযোগ্য। গবেষণাগারে অ্যান্টিমেটার তৈরিও করা হয়েছে। কিন্তু এটি ক্ষণস্থায়ী। তা আপনা-আপনি ধ্বংস হয়ে যায় এবং এর এই আপনা-আপনি ধ্বংস হয়ে যাওয়া ঠেকানোর মতো বস্তু যথাশিগগির তৈরি সম্ভব হয় না। ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে তা এখনো তৈরি করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে আমাদের এক কেজি ‘ওয়াটার’কে পুরোপুরি এনার্জিতে রূপান্তর করা যাবে না এর সাথে ‘অ্যান্টিওয়াটার’ মিশিয়ে। ভবিষ্যতে সম্ভব হবে কি না জানি না। তবে অন্তত এখন সম্ভব নয়।
প্রোটনের মতো ক্ষুদ্র এলিমেন্টারি পার্টিকলের আরেকটি প্রপঞ্চ বা ফেনোমেনন হচ্ছে এরা একীভূত হয়। একটি একক প্রোটন গঠন করে একটি হাইড্রোজেন অণুর নিউক্লিয়াস। একটি হিলিয়াম অণুতে পাওয়া যায় দুটি প্রোটন। এভাবেই পদার্থগুলোর সৃষ্টি হয়। প্রকৃতিতে পাওয়া সবচেয়ে ভারী পদার্থ ইউরেনিয়ামের নিউক্লিয়াসে আছে ৯২টি প্রোটন। দুটি ফ্রি প্রোটন তৈরি সম্ভব যেগুলো এক সাথে মিলে হিলিয়ামের নিউক্লিয়াস গঠন করতে শুরু করবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে প্রোটন দুটিকে দ্রুতগতিতে পরসপরের দিকে সজোরে নিক্ষেপ করা। এই প্রক্রিয়াটি ঘটে সূর্যে। ঠিক একই প্রক্রিয়াটি ঘটানো সম্ভব পৃথিবীতেও লেজার ও চুম্বক ব্যবহার করে ঘটানো যাবে একটি পারমাণবিক বোমার কেন্দ্র্রেও। এ প্রক্রিয়ার নাম নিউক্লিয়ার ফিউশন। এর মজার দিক হলো, যখন প্রোটনকে একীভূত হতে বাধ্য করা হয়, তখন তাদের পুরো ভর বা শক্তি ব্যয় করতে হয় না, যে শক্তি বা এনার্জি আমরা ঊ = সপ২ ফর্মুলা ব্যবহার করে বের করি। একীভূত হওয়া প্রোটন দুটির ভর আলাদা দুটি প্রোটনের ভরের সমষ্টির চেয়ে কম। প্রোটন দুটি যখন এক সাথে হয়ে যায়, তখন অতিরিক্ত ভর পরিণত হয় এনার্জিতে। সাধারণত এর পরিমাণ মোট ভরের ৭ শতাংশ। অর্থাৎ ওপরের সূত্রানুযায়ী যে পরিমাণ এনার্জি পাওয়ার কথা এর ৭ শতাংশ এনার্জি হিসেবে বের হয়। বাকিটা ভর হিসেবে একীভূত হয়। লোহার চেয়ে ভারী পদার্থ অস্থিতিশীল। এগুলোর কিছু কিছু খুবই অস্থিতিশীল। এর অর্থ হচ্ছে, এগুলোর নিউক্লিয়াস গঠিত ধনাত্মক চার্জসংবলিত অনেক প্রোটনের সমন্বয়ে। এগুলো যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের অণুকে আমরা বলি তেজস্ক্রিয় বা রেডিওয়্যাকটিভ। যেমন ইউরেনিয়াম একটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ বা রেডিওয়্যাকটিভ সাবস্ট্যান্স। প্রতি সেকেন্ডে ইউরেনিয়ামের প্রচুর অণু পরসপর পরসপর থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। যখন তেমনটি ঘটে, তখন টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া ইউরেনিয়াম মূল ইউরেনিয়াম অণু থেকে কম তেজস্ক্রিয়। আবার ওপরের সূত্রানুযায়ী অতিরিক্ত ভর অদৃশ্য হয়ে যায় এনার্জি হিসেবে। এই প্রক্রিয়ার নাম নিউক্লিয়ার ফিউশন।
এই উভয় ধরনের পারমাণবিক বিক্রিয়াই সামান্য পরিমাণ ভরকে বের করে দেয় এনার্জি হিসেবে। আর বেশির ভাগ এনার্জি যেখানে খরচ হয়, তা সম্ভবত আপনিও জানেন। পারমাণবিক অস্ত্রে কাজে লাগানো হয় নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া। আর পারমাণবিক বোমায় ব্যবহার হয় নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানে নিক্ষিপ্ত বোমায় এটা ব্যবহার হয়। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও চলে এই একই প্রক্রিয়া।
আইনস্টাইন বোঝতে সক্ষম ছিলেন তার এই বিখ্যাত সমীকরণের প্রয়োগ কত দূর যেতে পারে। স্বভাবগতভাবে ও রাজনৈতিকভাবে আইনস্টাইনকে আমরা জানি একজন শান্তিপ্রিয় মানুষ হিসেবে। তবু বলা দরকার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছে আণবিক বোমার ওপর গবেষণা করার জন্য অর্থ চেয়ে চিঠি লিখতে তিনি সহায়তা করেছিলেন। আর সেই সূত্রেই নাৎসি জার্মানি ও জাপানিদের আগেই মার্কিনিদের হাতে আসে পারমাণবিক বোমা। সেই চিঠিই জন্ম দেয় মানহাটান প্রজেক্ট। আর আণবিক বোমা তৈরির মধ্য দিয়েই E = mc2 সমীকরণটির বাস্তব প্রমাণ পেল বিশ্ববাসী।
গুগলের আলোচিত সেবা
নাজমুল হোসেন
সের্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেইজ বিশ্বের তথ্যের বাতিঘর হিসেবে তৈরি করেছেন জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। যা তৈরি হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। দীর্ঘ এ পথচলায় গুগল তার কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত আনছে বিভিন্ন পরিবর্তন।
প্লাস ওয়ান সেবা
সার্চ জায়ান্ট গুগল কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি গুগল সার্চে একটি নতুন ফিচার যোগ করেছে। গুগল এই ফিচারটির নাম দিয়েছে ‘+১’ বা প্লাস ওয়ান। এই ফিচারটি সোস্যাল নেটওয়ার্কিং জায়ান্ট ফেসবুকের ‘লাইক’ বাটনের মতো কাজ করবে। এই ফিচারটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। পরীক্ষামূলক এই ফিচারটি ব্যবহার করতে প্রথমে গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করতে হবে। এরপর ‘জয়েন দ্য এক্সপেরিমেন্ট’ অংশে ক্লিক করতে হবে। তারপর গুগল সার্চ ব্যবহার করে যেকোনো বিষয় সার্চ করে তাতে ‘+১’ করা যাবে। গুগল সার্চ রেজাল্টে দেখানো প্রতিটি লিংকের সাথে এই আইকনটি দেখা যাবে। গুগল কর্তৃপক্ষ এই আইকনটিকে বলছে, ‘পাবলিক স্ট্যাম্প অব অ্যাপ্রোভাল’। ফেসবুকে যেমন কোনো বিষয়ে লাইক করা যায় তেমনই গুগল সার্চের কনটেন্টে ‘+১’ করা যাবে। এর ফলে পছন্দের লিংকের সাথে নাম যোগ হবে।
জন্মদিন পালন
বুনসেন বার্নারের আবিষকারক রবার্ট উইলহেলম এবারহার্ড বুনসেনের ২০০তম জন্মদিন ছিল এ বছরের ৩১ মার্চ। তিনি ১৮১১ সালের ৩১ মার্চ জার্মানির গোটনজেনে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৫৪ থেকে ১৮৫৫ সালের দিকে পরীক্ষাগারে বিভিন্ন পদার্থ থেকে বের হওয়া আলোর বিচ্ছুরণ বিষয়ে পরীক্ষা করার সময় তিনি বিখ্যাত গ্যাস বার্নারটি উদ্ভাবন করেছিলেন। আর এই বার্নারটিই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে পরীক্ষাগারে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যবহৃত হয়েছে। গুগল এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশেষ একটি ডুডল তৈরি করেছিল। গুগল হোম পেজের এই ডুডলে একটি বার্নারের শিখার রঙ পরিবর্তনের বিষয়টির সাথে বিভিন্ন পাত্র ও টেস্টটিউব থেকে গ্যাস বাবল বের হওয়ার গ্রাফিকস দেখানো হয়েছিল। গুগল বিশেষ ব্যক্তি বা ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে হোম পেজে বিশেষ গ্রাফিকস এবং লোগো দেখায় যা গুগল ডুডল নামে পরিচিত।
সার্চ র্যাংকিং
জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল সম্প্রতি সার্চ র্যাংকিং এলগরিদমে পরিবর্তন এনেছে। ভালো কনটেন্টবিশিষ্ট জনপ্রিয় সাইটকে প্রাধান্য দিতে গুগল এই কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে করে গুগল সার্চ থেকে নিচুমানের সাইট বাদ পড়ে যাবে। গুগল সার্চে এমন নিচুমানের কনটেন্টভিত্তিক সাইটগুলোকে বাদ দিতে এই র্যাংকিং পদ্ধতি কাজ করবে। গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে লো-কোয়ালিটি সাইটগুলো সার্চ রেজাল্ট থেকে বাদ পড়বে। শতকরা ১২ ভাগ সাইটের ক্ষেত্রে এই র্যাংকিংয়ের প্রভাব পড়েছে। আগে নিচুমানের কনটেন্টনির্ভর সাইট সার্চ দিলে প্রথমেই চলে আসত। ফলে গ্রাহক একটু ভোগান্তির শিকার হতেন। নতুন এই সেবার আওতায় ব্যবহারকারীরা সহজে জনপ্রিয় কনটেন্টভিত্তিক সাইটগুলো খুঁজে পাবেন।
গুগল ম্যাগাজিন
গুগল সম্প্রতি একটি অনলাইন ম্যাগাজিন চালু করছে। ‘থিংক কোয়ার্টারলি’ নামক এ অনলাইন ম্যাগাজিনটি গুগল ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন হিসেবে অনলাইনে আপডেট করবে। গুগলের এই অনলাইন ম্যাগাজিনটিতে দৃষ্টিনন্দন ফ্লাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবসা ও প্রযুক্তিভিত্তিক খ্যাতিমান লেখকদের বিভিন্ন লেখা রয়েছে এ অনলাইন ম্যাগাজিনে।
গুগল সম্প্রতি একটি অনলাইন ম্যাগাজিন চালু করছে। ‘থিংক কোয়ার্টারলি’ নামক এ অনলাইন ম্যাগাজিনটি গুগল ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন হিসেবে অনলাইনে আপডেট করবে। গুগলের এই অনলাইন ম্যাগাজিনটিতে দৃষ্টিনন্দন ফ্লাশ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যবসা ও প্রযুক্তিভিত্তিক খ্যাতিমান লেখকদের বিভিন্ন লেখা রয়েছে এ অনলাইন ম্যাগাজিনে।



