সুইডেন
| অবস্থান | : | উত্তর ইউরোপে অবস্থিত। ফিনল্যান্ড এবং নরওয়ের মধ্যবর্তী স্থানে এর অবস্থান। |
| মোট এলাকা | : | ৪,৪৯,৯৬৪ বর্গকিলোমিটার। |
| জলভাগ | : | ৪,১০,৯৩৪ বর্গকিলোমিটার |
| স্থলভাগ | : | ৩৯,০৩০ বর্গকিলোমিটার |
| স্থল সীমান্ত | : | ২,২০৫ কিলোমিটার। |
| সমুদ্র উপকূলীয় ভূমি | : | ৩,২১৮ কিলোমিটার। |
| আবহাওয়া | : | দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের জলবায়ু ঠাণ্ডা এবং নাতিশীতোষ্ণ। শীতকাল মেঘাচ্ছন্ন এবং শীতল। গ্রীষ্মকাল কিছুটা মেঘাচ্ছন্ন। উত্তরাঞ্চলের জলবায়ু আর্কটিক জলবায়ুর অন্তর্গত। |
| প্রধান নদী | : | ডাল, লুলি, টোর্নি, উম, ভিনডেল। |
| উচ্চতম অঞ্চল | : | মাউন্ট কেবনেকেইস, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬,৯২৬ ফুট (২,১১১ মিটার) উঁচু। |
| নিম্নতম অঞ্চল | : | সমুদ্রপৃষ্ঠ সমতল। |
| প্রাকৃতিক সম্পদ | : | দস্তা, আকরিক লৌহ, সিসা, তামা, রূপা, কাঠ, ইউরেনিয়াম, জলশক্তি। |
| প্রাকৃতিক দুর্যোগ | : | চারপাশের সমুদ্রে ভাসমান বরফের সতূপ নানা প্রতিকূলতার সৃষ্টি করে। এই সমস্ত বরফ সতূপ জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে থাকে। |
| ঐতিহাসিক পটভূমি | : | সুইডেনে ৮০০ থেকে ১০৫০ সালে ভাইকিং আধিপত্য বজায় ছিল। ১১ শতকে এখানে একটি রাষ্ট্র গঠিত হয়। এই সময় ভাইকিংরা খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেছিল। ১৩২৩ সালে ফিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করে সুইডেন। ১৫২৩ সালে রাজা প্রথম গুস্তাভাসের নেতৃত্বে সুইডেনে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সতেরো শতক থেকেই শক্তিশালী সামরিক বাহিনী থাকা সত্ত্বেও সুইডেন অন্তত দুই শতক কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি। এমনকি দুটি বিশ্বযুদ্ধে তারা নিরপেক্ষ হিসেবেই ছিল। সুইডেনের দীর্ঘদিনের বলিষ্ঠ অর্থনীতি গড়ে উঠেছিল পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এবং অন্যান্য উন্নতি সহায়ক নিয়ামকের মধ্য দিয়ে। কিন্তু ১৯৯০ সাল থেকে এই সুদৃঢ় অবস্থার পরিবর্তন হতে থাকে বেকারত্ব, রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং বিশ্ব বাণিজ্যে দুর্বল অবস্থানের কারণে। রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতার কারণে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত সুইডেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হতে পারেনি। তবে ১৯৯৯ সাল থেকে দেশটিতে ইউরো প্রবর্তন করা হয়। |
| জাতীয়তা | : | সুইডেনীয়/সুইডিশ। |
| জনসংখ্যা | : | ৮৯,৮৬,৪০০ জন (২০০৪)। |
| জন্মহার | : | প্রতি হাজারে ১০.৪৬ জন (২০০৪)। |
| মৃত্যুহার | : | প্রতি হাজারে ১০.৩৮ জন (২০০৪)। |
| গড় আয়ু | : | পুরুষ ৭৮.১২ বছর, মহিলা ৮২.৬২ বছর (২০০৪)। |
| ধর্ম | : | লুথেরান ৮৭%, রোমান ক্যাথলিক, অর্থোডক্স, ব্যাপ্টিস্ট, মুসলিম, জিউস, বৌদ্ধ ১৩%। |
| ভাষা | : | সুইডিশ। |
| শিক্ষিতের হার | : | ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে মোট জনসংখ্যার ৯৯% শিক্ষিত (১৯৭৯)। |
| বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী | : | সুইডিশ, ফিনস এবং বিভিন্ন বিদেশি বংশোদ্ভূত জাতিগোষ্ঠী যেমন-ফিনস, ইউগুসলাভিয়া, ডেনিস, নরওয়েইন্স, গ্রিক, তুর্কি প্রভৃতি। |
| দেশটির সরকারি নাম | : | কিংডম অব সুইডেন। |
| সরকার পদ্ধতি | : | সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। |
| রাষ্ট্রপ্রধান | : | রাজা/রানি |
| সরকার প্রধান | : | প্রধানমন্ত্রী। |
| রাজধানী | : | স্টকহোম। |
| প্রদেশ | : | ২১টি প্রদেশ। |
| স্বাধীনতা লাভ | : | ৬ জুন ১৫২৩ (ফিনল্যান্ডের নিকট থেকে)। |
| রাজস্ব বাজেট | : | ১৭৭.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)। |
| সামরিক বাহিনী | : | দায়িত্বে নিয়োজিত মোট সৈন্যসংখ্যা ৫৩,১০০; স্থলবাহিনী ৬৬.১%, নৌবাহিনী ১৭.৩%, বিমানবাহিনী ১৬.৬% (২০০০)। |
| সড়কপথ | : | ২১০,৭৬০ কিলোমিটার; পাকা সড়ক ১৬২,৭০৭ কিলোমিটার, কাঁচা সড়ক ৪৮,০৫৩ কিলোমিটার (১৯৯৯)। |
| রেলপথ | : | ১১,৪৮১ কিলোমিটার। |
| জলপথ | : | ২,০৫২ কিলোমিটার। |
| পাইপলাইন | : | প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য ৮৪ কিলোমিটার। |
| বন্দর ও পোতাশ্রয় | : | গেভেল, গোটেবার্গ, হালাসস্টের্ড, হালসিংবার্গ, হুডিকসভাল, কালমার, কার্লসামান, লুলিয়া, মালমো, দলভাসবার্গ, স্টকহোম, সুনডসভাল। |
| বিমানবন্দর | : | ২৫৩টি। |
| মোট দেশজ | ||
| উৎপাদন (GDP) | : | ২৩৮.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)। |
| মোট মাথাপিছু | ||
| উৎপাদন | : | ২৬,৮০০ মার্কিন ডলার (২০০৩)। |
| প্রধান রপ্তানি দ্রব্য | : | অটোমোবাইল, কেমিক্যাল, আকরিক লৌহ, ইস্পাত, কাগজ, কাঠজাত সামগ্রী, যন্ত্রপাতি। |
| আমদান্যি দ্রব্য | : | খাদ্য, কয়লা, পেট্রোলিয়াম। |
| বাণিজ্য সহযোগী | ||
| রাষ্ট্রসমূহ | : | জার্মানি, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, গ্রেট ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, যুক্তরাষ্ট্র। |
সার্বিয়া এবং মন্টেনিগ্রো
| অবস্থান | : | দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত। এর সীমান্তে অবস্থিত অ্যাড্রিয়াটিক সাগর। আলবেনিয়া, বসনিয়া এবং হার্জেগোভিনার মাঝামাঝি অঞ্চলে দেশটির অবস্থান। |
| মোট এলাকা | : | ১,০২,৩৫০ বর্গকিলোমিটার। |
| স্থলভাগ | : | ১,০২,১৩৬ বর্গকিলোমিটার। |
| জলপথ | : | ২১৪ বর্গকিলোমিটার। |
| স্থলসীমান্ত | : | ২,২৪৬ কিলোমিটার। |
| সীমান্তবর্তী দেশসমূহ | : | আলবেনিয়া ২৮৭ কিলোমিটার, বসনিয়া এবং হার্জেগোভিনা ৫২৭ কিলোমিটার, বুলগেরিয়া ৩১৮ কিলোমিটার, ক্রোয়েশিয়া (উত্তর) ২১৪ কিলোমিটার, ক্রোয়েশিয়া (দক্ষিণ) ২৫ কিলোমিটার, হাঙ্গেরি ১৫১ কিলোমিটার, পূর্ব পুরাতন যুগোস্লাভ প্রজাতন্ত্র মেসিডোনিয়া ২২১ কিলোমিটার, রোমানিয়া ৪৭৬ কিলোমিটার। |
| সমুদ্র উপকূলীয় ভূমি | : | ১৯৯ কিলোমিটার। |
| আবহাওয়া | : | উত্তরে মহাদেশীয় জলবায়ু (ঠাণ্ডা শীতকাল এবং গরম, আর্দ্র গ্রীষ্মকাল; তার সঙ্গে রয়েছে প্রচুর বৃষ্টিপাত) কেন্দ্রীয় অংশে মহাদেশীয় এবং ভূ-মধ্যসাগরীয় জলবায়ু লক্ষণীয়, দক্ষিণে অ্যাড্রিয়াটিক জলবায়ু সমুদ্র উপকূলভাগ গরম রাখে, গ্রীষ্ম ও শরৎকাল মোটামুটি শুষ্ক। তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা শীতকালে দেশের অভ্যন্তর ভাগে তুষারপাত ঘটে থাকে। |
| প্রাকৃতিক সম্পদ | : | তেল, গ্যাস, কয়লা, অ্যান্টিমনি, তামা, সিসা, দস্তা, নিকেল, সোনা, পাইরাইট, ক্রোম (ধাতুবিশেষ) জলশক্তি, কৃষি উপযোগী ভূমি। |
| প্রাকৃতিক দুর্যোগ | : | ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প। |
| ঐতিহাসিক পটভূমি | : | ১৯১৮ সালে সার্ব রাজ্য, ক্রোটস এবং স্লোভেনিজ গঠিত হয়। ১৯২৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় যুগোস্লাভিয়া। ১৯৪১ সালে নাজি জার্মানির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সংগঠন প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১৯৪৫ সালে মার্শাল টিটো এই সংগঠিত দলের নেতৃত্ব নিয়ে জার্মানদের বিতাড়িত করেন। কমিউনিস্ট আদর্শে বিশ্বাসী এই নতুন সরকার কৃতিত্বের সঙ্গে ওয়ারশ চুক্তি এবং পাশ্চাত্য ধারণার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে পরবর্তী সাড়ে চার দশক ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকে। ১৯৯০ সালের শুরুতে টিটো-উত্তরকালে যুগোস্লভিয়ার বেশ কয়েকটি জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর ফল হিসেবে ১৯৯১ সালে স্লোভেনিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং মেসিডোনিয়ার সাবেক যুগোস্লাভ প্রজাতন্ত্র স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১৯৯২ সালে বসনিয়া এবং হার্জেগোভিনাও তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর অবশিষ্ট অংশ ১৯৯২ সালে ‘ফেডারেল রিপাবলিক অব যুগোস্লাভিয়া’ নাম ধারণ করে। প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে একটি ‘বৃহৎ সার্বিয়া’ রাষ্ট্রগঠনের জন্য প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ সামরিক অভিযান চালাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত সকল প্রচেষ্টাই ব্যর্থ হয়। ১৯৯৯ সালে এফআরওয়াই (ফেডারেল রিপাবলিক অব যুগোস্লাভিয়া) কসোভোতে বসবাসকারী আলবেনিয়ান জাতিকে আধাসামরিক বাহিনী দ্বারা বিতাড়িত করেন। এরই সূত্রে ন্যাটো সার্বিয়াতে বোমাবর্ষণ করে। ২০০০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মিলোসেভিচের উচ্ছেদ ঘটে এবং ভজিস্লাভ কস্তুনিকা প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হন। ২০০১ সালে মিলোসেভিচকে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য গ্রেফতার করে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার হেগ-এর আদালতে প্রেরণ করা হয়। ২০০১ সালে দেশটি যুগোস্লাভিয়া নাম নিয়ে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলের ১২৪৪ ধারা অনুযায়ী ১৯৯৯-এর জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের অন্তবর্তীকালীন প্রশাসন দ্বারা কসোভো পরিচালিত হয়েছিল। ২০০২ সালে সার্বিয়া ও মন্টেনিগ্রোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০৩-এর মধ্যে দেশটি ঐক্যবদ্ধ স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়। |
| জাতীয়তা | : | সার্ব মন্টেনিগ্রিন। |
| মোট জনসংখ্যা | : | ১,০৮২৫,৯০০ জন (২০০৪) |
| জন্মহার | : | প্রতি হাজারে ১২.১৩ জন (২০০৪)। |
| মৃত্যুহার | : | প্রতি হাজারে ১০.৫৩ জন (২০০৪)। |
| গড় আয়ু | : | পুরুষ ৭১.৯ বছর, মহিলা ৭৭.১২ বছর (২০০৪)। |
| ধর্ম | : | অর্থোডক্স ৬৫%, মুসলমান ১৯%, রোমান ক্যাথলিক ৪%, প্রোটেস্ট্যান্ট ১%, অন্যান্য ১১%। |
| ভাষা | : | সার্বিয়ান ৯৫%, আলবেনিয়ান ৫%। |
| শিক্ষিতের হার | : | ১৫ বছর এবং তদূর্র্ধ্ব সবাই পড়তে এবং লিখতে জানে। |
| বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী | : | সার্ব ৬২, আলবেনিয়ান ১৬.৫%, মন্টেনিগ্রিন ৫%, হাঙ্গেরিয়ান ৩.৩%, অন্যান্য ১২.৬% (১৯৯১)। |
| দেশটির সরকারি নাম | : | সার্বিয়া এবং মন্টেনিগ্রো। |
| সরকার পদ্ধতি | : | প্রজাতন্ত্র। |
| রাষ্ট্রপ্রধান | : | প্রেসিডেন্ট। |
| সরকার প্রধান | : | প্রধানমন্ত্রী। |
| রাজধানী | : | বেলগ্রেড। |
| প্রশাসনিক বিভাগ | : | ২টি প্রজাতন্ত্র। |
| স্বাধীনতা লাভ | : | ২৭ এপ্রিল ১৯৯২ (চুক্তিবদ্ধ যুগোস্লাভ প্রজাতন্ত্র অথবা এফআরওয়াই) গঠিত হয়েছিল নিজস্ব জনসাধারণের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক চুক্তির মাধ্যমে যুগোস্লাভ প্রজাতন্ত্র অথবা SFRY-এর উত্তরাধিকারীদের দ্বারা। |
| মুদ্রা | : | নতুন যুগোস্লাভ দিনার (YUM)। মন্টেনিগ্রোতে ইউরো হচ্ছে বিহিত মুদ্রা। উভয়ের মধ্যে কসোভোতে ইউরো এবং যুগোস্লাভ দিনার আইনত সিদ্ধ (২০০২)। |
| রাজস্ব বাজেট | : | ৮.৬৬৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)। |
| সামরিক বাহিনী | : | পিউপলস আর্মি এবং সিভিল ডিফেন্স। |
| রেলপথ | : | মোট ৪,০৫৯ কিলোমিটার (২০০২)। |
| সড়কপথ | : | মোট ৪৮,৬০৩ কিলোমিটার; পাকা সড়ক ২৮,৮২২ কিলোমিটার, কাঁচা সড়ক ১৯৭৮১ কিলোমিটার। |
| জলপথ | : | ৫৮৭ কিলোমিটার। দানিয়ুব নদী কেন্দ্রীয় ইউরোপের সাথে কৃষ্ণসাগর সংযুক্ত করে সার্বিয়ার দিকে প্রবাহিত হয়েছে। |
| বিমানবন্দর | : | ৫৪টি। |
| মোট দেশজ | ||
| উৎপাদন (GDP) | : | ২৩.৮৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)। |
| মোট মাথাপিছু | ||
| উৎপাদন | : | ২,২০০ মার্কিন ডলার (২০০৩) |
| বাণিজ্য সহযোগী | ||
| রাষ্ট্রসমূহ | : | ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, অস্ট্রিয়া, গ্রিস, হাঙ্গেরি, স্লোভেনিয়া। |



