Skip to main content

কুসংস্কারের আদ্যোপান্ত

বাংলাদেশের বিশিষ্ট মনোশিক্ষাবিদ, মনোবিজ্ঞানী ও মনোচিকিৎসক
অধ্যাপক ডা. এ এইচ মোহাম্মদ ফিরোজ

মানসিক রোগ শিক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা ও জনসচেতনতায় পথিকৃৎ

ওয়াকিং (Walking) হাঁটা
সাধারণত রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাকে যথেষ্ট নিরাপদ ব্যায়াম বলে মনে হতে পারে, কিন্তু কোনো কোনো অবস্থায় বিশেষ সতর্ক ব্যবস্থা নেয়া উচিত। সিঁড়ি বা মইয়ের নিচে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার বিপরীতে দেয়া নিয়মনীতি পালন করা হচ্ছে সমস্ত কুসংস্কারের মধ্যে ব্যাপকভাবে পালিত একটি ধর্মীয় আচার। কিন্তু কোনোভাবেই এটা একমাত্র সতর্কতা বলে মনে করা যাবে না। যদি একত্রে হেঁটে চলা দুই বন্ধু, একটি শিশু, একটি কুকুর অথবা অন্য কোনো জিনিস দ্বারা আলাদা হয়ে যায়, তবে তাদের বন্ধুত্বটা ভবিষ্যতে ভয়ানকভাবে বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। যদিও এটা নিরাপদ হতে পারে যদি তাদের মধ্যে কোনো একজনের উপস্থিত বুদ্ধি হয় এবং বিড় বিড় করে ব্রেড এন্ড বাটার শব্দ দুটো উচ্চারণ করে। স্কটল্যান্ডে এক সময়ে প্রচলিত ছিল যে যদি দুজন প্রেমিক-প্রেমিকার হেঁটে যাওয়ার মধ্যে একটি শূকর শাবক ঢুকে পড়ে তবে তারা কখনো বিয়ে করতে পারবে না। একইভাবে অন্যত্র আছে যে যদি একটি নব দম্পতি কখনো কুকুর, শূকর শাবক, খরগোশ অথবা বিড়ালের দ্বারা আলাদা হয়ে যায় তবে তারা কখনো সৌভাগ্য লাভ করবে না।

ওয়ার (War) যুদ্ধ
যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার ভয় মানুষকে সব সময়ই বিগত শতাব্দিগুলোতে এমনভাবে সঞ্চালিত করেছে যে তারা তাদের চারদিকের পৃথিবীর মধ্য থেকে কোনো জাদুকরী ইঙ্গিত তালাশ করেছে যা পূর্ব থেকেই যুদ্ধের বার্তা জানিয়ে দেয়। যার ফলে আসন্ন যুদ্ধের খবরকে খারাপ ঘটনাসমূহের গণনার মধ্য দিয়ে পাঠ করা হতো। আকাশে অতিপ্রাকৃতিক কিছু একটা দেখা গেলে বিশেষ করে একটা ধূমকেতুর উপস্থিতি হলে, অথবা কোনো একটা গ্রহণ দেখতে পেলে, সেটাকে যুদ্ধের অমঙ্গল চিহ্ন বলে ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করা হতো। এই প্রথাটির সমর্থনে উদাহরণ খাড়া করা হয় যে ৪০৬৬ খ্রিষ্টাব্দে নরম্যানদের ইংল্যান্ড বিজয়ের পূর্বে আকাশে ধূমকেতুর আবির্ভাব হয়েছিল এবং পরবর্তীতে প্রথম মহাযুদ্ধের পূর্বেও তদ্রূপ ধূমকেতু দেখা গিয়েছিল।

একইভাবে আসন্ন যুদ্ধ সম্বন্ধে আবহাওয়া অনেকটা ইঙ্গিত দেয়। ব্রিটিশ কুসংস্কারে বলা হয় পূর্বে এটাই বিশ্বাস করা হতো যে যদি সেন্ট পল দিবসে অর্থাৎ ২৫ জানুয়ারি মোটেই সূর্য না ওঠে তবে যুদ্ধ অবধারিত।

ওয়াশিং (Washing) ধৌত করা
মানুষের শরীর ধৌত করার ব্যাপারে পৃথিবীর বহু ধর্মেই নানা প্রকার নিয়ম পালনের জটিলতা আছে। এছাড়াও কুসংস্কারবাদী লোকদের জন্য গোসলের একটা ভিন্ন তাৎপর্য আছে। ধারণা করা হয় যে ভালোভাবে ধোয়ার কারণে মানুষের পাপ মোচন হয়। এটা বহু সমপ্রদায়ের ঐতিহ্যে প্রতিফলিত হয় যে এটা আত্মার জন্য উপকারী। এটা যেমন আত্মার জন্য তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী যদি জরুরি কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠান, শিশু জন্ম বা অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া এবং পশু বলি বা কোরবানীর আগে এবং পরে গোসল করা হয়।

প্রত্যেকদিনের নিয়ম অনুযায়ী মানুষ যে পাত্রের জলে ধোয়া মোছার কাজ করে সেই জল যথাযথভাবে ফেলে দেয়ার জন্য যত্নবান হতে হবে। কারণ তাদের শরীরের ময়লার সাথে তাদের আত্মার দাগ সেই পানিতে চলে আসে এবং এর দ্বারা একটা জাদুকরী ডাইনী তাদের আত্মার ওপর জাদুর প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যান্য অমঙ্গলজনক প্রথা হচ্ছে যে কখনো হাত দিয়ে পানির ওপর শব্দ করে চাড়াতে নেই (বিশেষ করে সকালের স্নানের সময় এরূপ করলে তার মানে হবে সারাদিনের জন্য সৌভাগ্যের কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া)। আর কখনোই অন্য একজনের সাথে ভাগাভাগি করে পানি ব্যবহার করতে নেই, কারণ তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবে, যদি না তারা প্রথমেই বাটির ওপরে একটা ক্রস চিহ্ন দেয় অথবা দুজনের একজন সেই পাত্রের  মধ্যে থু থু দেয়।

ওয়াটার (Water) পানি
পৃথিবীর বুকে প্রাণীর জীবন ধারণের জন্য পানির যে প্রামানিক ভূমিকা রয়েছে তার সাথে সঙ্গতি রেখে কুসংস্কারে রোগ আরোগ্যর ব্যাপারে পানির ওপর একটা জাদুকরী প্রভাবের গুরুত্ব আরোপ করেছে। প্রকৃত পক্ষে পৃথিবীর প্রায় সবকয়টি ধর্মেই তাদের খুব গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে পানির ব্যবহার করে থাকে এবং প্রত্যেকটি সমাজেই এর জাদুকরী প্রভান্বিত ঝর্ণা, পাত কুয়া এবং লেকসমূহ ছাড়াও অতান্দ্রিয় যৌবনদ্বীপ্ত ঝর্ণা সম্বন্ধে গর্ব করে থাকে।

যে কোনো প্রকার জলপ্রবাহকে ব্যাপকভাবে মনে করা হয় অতিপ্রাকৃতিক শক্তিধর। অনেকেই এটাকে একটা জাদুকরী প্রাচীর বলে মনে করে যা কোনো প্রেতাত্মা বা ভূত ক্রস করতে পারে না। পিছু নেয়া কোনো শয়তানী ডাইনীকে কৌশলে পরিহার করতে হলে একটা জলস্রোতের ওপর দিয়ে লাফিয়ে পার হতে হবে অথবা একটা ব্রিজের ওপর দিয়ে পার হয়ে আসতে হবে। আত্মহত্যাকারী, ফাঁসির আসামীর এবং রক্তচোষা বাদুরদের মৃতদেহ প্রায়ই চলন্ত পানির স্রোতের  নিচে কবর দেয়া হতো, যাতে করে তাদের প্রেতাত্মা হেঁটে না আসতে পারে। চলন্ত জলস্রোতের মধ্যে ডুব দিলে আঁচিল, বাতরোগ, চামড়ার ওপরের ক্ষত এবং অন্যান্য অনেক রোগ ভালো হয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে নদীর তলদেশ বা ঝর্ণার থেকে পাথর এনে তা রোগীর গায়ে ঘষলে তার রোগ ভালো হয়েছে। বিছানার নিচে এক বাটি ঠাণ্ডা পানি রেখে দিলে ইত্যবসরে ঘুমন্ত ব্যক্তির খিঁচুনি রোগ হবে না।

পানি নিয়ে অন্যান্য কুসংস্কারে দাবি করা হয় যে জাদুকরী ডাইনীরা গাছের ডাল পানিতে ডুবিয়ে তা বাতাসের মধ্যে ঝেঁড়ে দিয়ে ঝড় বৃষ্টি আনতে পারে। ফ্রান্স ও ওয়েলসবাসীদের মতে পাথরের জগে পানি রাখলে ক্রিসমাস মধ্য রাতের একঘণ্টা পূর্বে তা মদে পরিণত হয় এবং ঈষ্টার পর্বেও একইরূপ হয়। সন্ধ্যার পরে কখনো ঘরের বাইরে পানি ছুঁড়ে ফেলতে নেই কারণ তা প্রেতাত্মাদের রক্ষা করে। ফুটন্ত পানি কখনো নিয়ে যেতে নেই, কারণ এটা সেই লোকটির ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া করবে যেহেতু শয়তানীরা এটা পছন্দ করে না এবং তাদের জন্য কষ্ট ও ভোগান্তি আনবে। আর স্বপ্নে পানি দেখাও দুর্ভাগ্যজনক।

উইন্ডো (Window) জানালা
দরোজা ও ধূমনালীর মতো জানালাও যদি ভালোভাবে বন্ধ না রাখা হয় তবে অনেক অশরীরী শক্তির প্রবেশ পথ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এটা সত্য যে কাঠের জানালার ফ্রেমের মধ্যে একটা ক্রস চিহ্নের মতো ফ্রেম দেয়া হয় যার দ্বারা প্রায় সবগুলো ভূত-প্রেতের পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু প্রায় ক্ষেত্রেই ভীত সন্ত্রস্ত্র বাসিন্দারা ডবল নিশ্চয়তা প্রদান করার জন্য জানালার অনেক গাছের ফুল ও মালা ঝুলিয়ে ভূত তাড়ানোর জন্য ব্যবহার করে। জানালা সম্বন্ধে অন্যান্য যেসব হুঁশিয়ারী করা হয় তারমধ্যে রয়েছে কখনোই জানালার মধ্য দিয়ে উঁকি দেয়া শবযাত্রা দেখতে নেই, নতুন চাঁদ ওঠা দেখতে নেই। তদুপরি কোনো একজনের মৃত্যুও সময় জানালা খুলে দিতে হবে যাতে তাদের আত্মা সহজে ঘরের বাইরে যেতে পারে এবং ঝড় ওঠার সময়ও দেখতে নেই তাতে ঘরের মধ্যে কোনো বজ্রপাত ঢুকে বের হয়ে যাওয়ার পথ পায়। ওক গাছের ফলের মতো করে ববিন দিয়ে পর্দা সহকারে একটা জানালা ফিট করলেও তাতে বজ্রপাতকে প্রতিরোধ করে।

ওয়াইন (Wine) মদ
মদ তৈরি, পরিবেশন এবং পান করা নিয়ে দীর্ঘদিনের তার নিজস্ব সম্মানিত পৌরানিকী রয়েছে। অত্যন্ত ব্যাপকভাবে প্রচারিত কুসংস্কারের মধ্যে রয়েছে এই বিশ্বাস যে একটা মদের বোতল সূর্য চলার গতির মতো একে অন্যের হাতে দেয়া যাবে না (বিশেষ করে বন্দর এলাকার মধ্যে) এবং মদ ছড়িয়ে ফেলে দেয়াও অমঙ্গলজনক। যদিও গ্রিকবাসীরা তার উল্টোটা মনে করে যে, মদ ছড়িয়ে ফেলা সৌভাগ্যের। সমুদ্রের ঢেউয়ের ওপর দেবাদির সন্তুষ্টির জন্য মদ ঢেলে দিলে একটা রেগে ওঠা সমুদ্রও শান্ত হয়ে যায়।

অনেক লোকেই মদকে অনেক রোগের ওষুধ হিসেবে প্রশংসা করে। মদ পানে অনেক প্রকার সর্দি, ঠাণ্ডা ভালো হয়, জ্বর এবং মাইগ্রেন মাথাব্যথা ভালো হয়। কুকুরের কামড়ের রোগ মদ পানে ভালো হয় তার জন্য মদের সাথে যে কুকুরটি কামড় দিয়েছে তার কয়েকটি পশম মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। যেসব শিশুদের ওজন কম তাদের মায়েরা তাদের হাতের বিবাহের আঙটি একটা মদের গ্লাসের মধ্যে ডুবিয়ে সেই মদ গ্লাস শিশুকে পান করতে দেবে তাতে শিশু অতি তাড়াতাড়ি ভালো হয়ে যাবে। বিশেষ করে ছোটদের আরোগ্যের জন্য গির্জায় ভোজ উৎসবের সময়ের মদ খুবই উপকারী ভূমিকা পালন করে।

ইয়োলো (Yellow) হলুদ রঙ
অশুভ সব রঙের মধ্যে হলুদ রঙ হচ্ছে সবচেয়ে অশুভ রঙ। এটা সাধারণত ভীরুতা, অসুস্থতা এবং মৃত্যুর সাথে জড়িত (যদিও অনেক লোক এটাকে জীবন প্রদানকারী সূর্যের সাথে সম্পৃক্ত করে)। পেঁয়াজ ও বীন গাছের ওপর হলুদ পাতা দেখা গেলে তার দ্বারা মৃত্যুর আগাম বার্তা মনে করা হয়। এমতনকি ভূত-প্রেতরাও এই হলুদ রঙটাকে ভয় পায়। নায়ক-নায়িকারা বিশেষভাবে অনেক সময় এই হলুদ রঙের কাপড় পরতে অনীহা প্রকাশ করে।

ইয়োলোহ্যামার (Yellowhammer) হলুদ পাখি
হলুদ পালক পরা পাখি যার একটা অশুভ পাখি হিসেবে দুর্নাম আছে। এটা সত্য যে তার ডিমের ওপর সাপের মতো ঢেউ তোলা দাগ আছে, যার দ্বারা বোঝা যায় যে এ পাখিটার যোগসাজশ আছে শয়তানের সাথে। এই কারণে শতাব্দিকাল ধরে এই পাখিটির বাসা ভেঙে দিয়ে মানুষ তাকে যন্ত্রণা দিয়েছে। তারা ধারণা করত এর ডিম থেকে সাপ জন্ম নেয়। (আরো বলা হয়ে থাকে হলুদ পাখিরা সাপের শত্রু আসতে দেখলে তা আগে ভাগেই তাকে হুঁশিয়ার করে দেয়)।

ওয়েলসের লোকগাঁথা অনুযায়ী এই পাখিগুলো রক্তচোষা বাদুরের রক্ত খেয়ে বেঁচে থাকে। আবার অন্যরা দাবি করে যে, তার অনিয়মিত উড়াউড়ির কারণ হচ্ছে যে তারা প্রত্যেক মে দিবসে শয়তানের রক্ত পান করে।

ওয়েলসের লোক ওষুধিতে দাবি করা হয় যে একটা ইয়োলোহ্যামার পাখিকে একজন জন্ডিস রোগীর মুখের কাছে এনে ধরলে রোগ সেরে যায়। যদিও ডেনিশবাসীরা দাবি করে যে, একে একে তিনটি হলুদ পাখি খেতে পারলে ওই রোগ সেরে যায়।

ইউ (Yew) চির সবুজ বৃক্ষ
চির সবুজ বৃক্ষ যেটা ব্যতিক্রমভাবে দীর্ঘজীবী এবং পরবর্তী জীবনের সাথে জড়িত। এই কারণেই এই গাছগুলোকে কবরস্থানে দেখা যায় ইউরোপের প্রায় সব দেশেই। ইউবৃক্ষের বিষাক্ত পাতার এবং ঘন কাঠের জন্য এবং তার সুরক্ষা করা ক্ষমতার কারণে গাছটিকে সর্বত্র সম্মানের চোখে দেখা হয়। এই গাছটির আশপাশের লোকের ওপর কোনো শয়তান বা জিন-ভূতের ভয় থাকে না। (যদিও একটা সত্য যে তার ঘনকৃষ্ণ পল্লবগুচ্ছ হচ্ছে অতিপ্রাকৃত শক্তির জন্য আকর্ষণীয় আশ্রয়স্থল। অতএব এই গাছের কাটা অংশ কখনোই ঘরের মধ্যে আনা যাবে না, তাতে ভাগ্য বিপর্যয়ের ভয় আছে)। ফলস্বরূপ একটা ইউ গাছ কেটে ফেলা বা তার ক্ষতি করা খুবই অশুভ কাজ। যদিও তার কাঠকে জাদু দেখানোর জন্য যন্ত্রপাতি তৈরি করার জন্য চড়া দাম দেয়া হয়। সত্যি বলতে কি, কেউ যদি এই নিয়মনীতি না মানে এবং ইউবৃক্ষের একটা ডাল ভেঙে ফেলে তবে সে এক বছরের মধ্যে মারা যাবে।

আরো আনন্দের সাথে যে বালিকা তার ভবিষ্যত প্রেমিককে স্বপ্নে দেখতে চায় তাকে শুধু কয়েকটি ইউগাছের পাতা বালিশের নিচে দিয়ে ঘুমাতে হবে। তবে সে ইউগাছের পাতা আনতে হবে এমন একটি কবরস্থান থেকে যেখানে সে পূর্বে কখনো যায়নি।

ইউগাছের এত সুনাম যে আগেকার দিনে বেশি উপকার লাভের আশায় এই গাছের নিকটে গির্জাঘর তৈরি করা হতো।

জ্যোডিয়্যাক (Zodiac) রাশিচক্র
ক্যালেন্ডারকে বারোটি ঘরে ভাগ করা হয়ে থাকে। এটা হচ্ছে জ্যোতির্বিদ্যার একটা অবাস্তব বিজ্ঞানের মতানুসারে। প্রত্যেকটি ঘরে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও চরিত্র আছে এবং লোক এই সময়ের মধ্যে যারা জন্মগ্রহণ করে তারা সেই সময়ের বিশেষ লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য প্রাপ্ত হয়। যদিও এর আরো বিস্তারিত তথ্য জানা যায় সঠিক জন্ম তারিখ, দিন, সময় ও পারিপার্শ্বিকতার পুঙ্ক্ষানুপুঙ্খ ব্যাখ্যার মাধ্যমে।