Skip to main content

বিশ্বের নানা দেশ

ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ

ইরাক

অবস্থান                                 মধ্যপ্রাচ্যের দেশ।
মোট এলাকা ৪,৩৭,০৭২ বর্গকিলোমিটার
স্থলভাগ ৪,৩২,১৬২ বর্গকিলোমিটার।
জলভাগ ৪,৯১০ বর্গকিলোমিটার।
স্থল সীমান্ত মোট ৩,৬৫০ কিলোমিটার; সীমান্তবর্তী দেশ ইরান ১,৪৫৮ কিলোমিটার, জর্দান ১৮১ কিলোমিটার, কুয়েত ২৪০ কিলোমিটার, সৌদি আরব ৮১৪ কিলোমিটার, সিরিয়া ৬০৫ কিলোমিটার, তুর্কি ৩৫২ কিলোমিটার।
সমুদ্র উপকুলীয় ভূমি ৫৮ কিলোমিটার।
প্রধান নদী ইউফ্রেটিস, টাইগ্রিস, ছোট ও বড় জাব।
উচ্চতম অঞ্চল মাউন্ট জাগরোসের শৃঙ্গ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১১,৮৪০ ফুট (৩,৬০৯ মিটার) উঁচু।
নিম্নতম অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ সমতল।
আবহাওয়া অধিকাংশই মরুভূমির জলবায়ু। মৃদু ঠান্ডা, শুষ্ক শীতকাল, মেঘশূন্য গ্রীষ্মকাল, উত্তরের পর্বতশ্রেণীসমৃদ্ধ এলাকায় ইরান এবং তুর্কি সীমান্ত বরাবর ঠান্ডা শীতকাল বিরাজ করে। এছাড়া কখনো কখনো বসন্তের শুরুতে প্রচুর তুষার ঘনীভূত করে, কোনো কোনো সময় বিস্তীর্ণ বন্যার সম্মুখীন হয় মধ্য এবং দক্ষিণ ইরাক।
প্রাকৃতিক সম্পদ খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, ফসফেট, সালফার।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধূলিঝড়, বালিঝড়, বন্যা।
ঐতিহাসিক পটভূমি প্রাচীন সভ্যতার লীলাভূমি মেসোপটেমিয়ার সীমারেখাতে ইরাক রাষ্ট্রের জন্ম। ৩৩০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মহান আলেকজান্ডারের আক্রমণের পর থেকে ইরাক ক্রমাগত যুদ্ধবিক্ষুব্ধ দেশে পরিণত হয়। এখানে যুদ্ধ হয় রোমান- পার্সিয়ানদের এবং সারাসিন-বাইজেন্টাইনদের মধ্যে। ৭ শতকে এখানে আরব মুসলমানদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ১২৫৮ সালে ইরাকের ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে মোঙ্গলরা। অটোমান তুর্কিরা এ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে ১৬ শতকে এবং তা অব্যাহত থাকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত। ব্রিটিশরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ইরাকের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। পরে ১৯২১     সালে ইরাক রাষ্ট্র গঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এখানে পুনরায় ব্রিটিশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। ইরাক স্বাধীন রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৩২ সালে। ১৯৫৮ সালে ইরাককে প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করলেও বাস্তবিক পক্ষে ক্রমাগত সমরতান্ত্রিক ব্যক্তি শাসনই যেন প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। ২০০৩ সালে মার্কিন আগ্রাসী আক্রমণের পূর্ব পর্যন্ত সাদ্দাম হোসেনের শাসনই প্রতিষ্ঠিত ছিল। ইরাক ও ইরানের মধ্যে সীমান্ত সমস্যার ইস্যুতে ১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত আট বছর স্থায়ী ব্যয়বহুল যুদ্ধ অব্যাহত থাকে। ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে ইরাক কুয়েত দখল করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে ইরাককে পিছু হটতে হয়। ১৯৯১-এর জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় জাতিসংঘের জোট শক্তির চাপে ইরাক কুয়েতের দখলদারিত্ব ছেড়ে দেয়। এই সূত্রে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনে ইরাকের গণবিধ্বংসী ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার খোঁজার জন্য পর্যায়ক্রমে পরিদর্শক পাঠানো হয়। পরিদর্শক দল কথিত অস্ত্রের খোঁজ না পেলেও দুর্বল উপলক্ষকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র ইংল্যান্ডের সহযোগিতায় ২০০৩-এর মার্চ মাসে ইরাক আক্রমণ করে এবং সাদ্দাম সরকারের উচ্ছেদ সাধনের মাধ্যমে সেখানে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তবে মার্কিন ও ব্রিটিশ দখলদার বাহিনীকে উচ্ছেদ করার জন্য এখন ইরাকিরা গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।
জাতীয়তা ইরাকি।
জনসংখ্যা ২,৫৩,৭৪,৬৯১ জন (২০০৪)।
জন্মহার প্রতি হাজারে ৩৩.০৯ জন (২০০৪)।
মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৬.৬৬ জন (২০০৪)।
গড় আয়ু পুরুষ ৬৭.০৯ বছর, মহিলা ৬৯.৪৮ বছর (২০০৪)।
ধর্ম মুসলিম ৯৭% (শিয়া ৬০-৬৫%, সুন্নি ৩২-৩৭%), খ্রিষ্টান এবং অন্যান্য ৩%।
ভাষা আরবি, কুর্দি (কুর্দি এলাকার সরকারি ভাষা), এশেরীয়, আর্মেনীয়।
শিক্ষিতের হার ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে মোট জনসংখ্যার ৪০.৪% শিক্ষিত; পুরুষ ৫৫.৯%, মহিলা ২৪.৪% (২০০৩)।
বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী আরব ৭৫-৮০%, কুর্দি ১৫-২০%, তুর্কমেন, এশেরীয় এবং অন্যান্য ৫%।
দেশটির সরকারি নাম রিপাবলিক অব ইরাক অর্থাৎ ইরাক প্রজাতন্ত্র।
সরকার পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মাধ্যমে ২০০৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে সাদ্দাম হোসেনের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
রাষ্ট্রপ্রধান প্রেসিডেন্ট।
সরকারপ্রধান প্রেসিডেন্ট।
রাজধানী বাগদাদ।
প্রশাসনিক বিভাগ ১৮টি গভর্নরশাসিত অঞ্চল।
মুদ্রা ইরাকি দিনার (IQP)
রাজস্ব বাজেট ১২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৪)।
সামরিক বাহিনী দায়িত্বে নিয়োজিত মোট সৈন্যসংখ্যা ৪,২৯,০০০; স্থলবাহিনী ৯১.৩%, নৌবাহিনী ০.৫%, বিমানবাহিনী ৮.২% (২০০০)।
রেলপথ ১,৯৬৩ কিলোমিটার।
সড়কপথ ৪৫,৫০০ কিলোমিটার।
জলপথ ১,০১৫ কিলোমিটার।
পাইপলাইন অপরিশোধিত তেলের জন্য ৪,৩৫০ কিলোমিটার, খনিজ তেলজাত দ্রব্যের জন্য ৭২৫ কিলোমিটার, প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য ১,৩৬০ কিলোমিটার।
বন্দর ও পোতাশ্রয় উম কসর, খাওর আজহ জুবায়ের এবং আর বশরা।
বিমানবন্দর ১২১টি।
মোট দেশজ    
উৎপাদন (GDP) ৩৭.৯২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)।
মোট মাথাপিছু    
উৎপাদন ১,৫০০ মার্কিন ডলার (২০০৩)।
প্রধান রপ্তানি দ্রব্য জ্বালানি তেল, খেজুর।
আমদানি দ্রব্য খাদ্যশস্য, কেমিক্যাল, লোহা ও ইস্পাত, বস্ত্র, যন্ত্রপাতি।
বাণিজ্য সহযোগী    
রাষ্ট্রসমূহ ব্রাজিল, জাপান, গ্রেট ব্রিটেন, তুরস্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি।

ইরান

অবস্থান                                 মধ্যপ্রাচ্যের দেশ। ইরানের সীমান্তে রয়েছে ওমান উপসাগর, পারস্য উপসাগর এবং কাস্পিয়ান সাগর। ইরাক এবং পাকিস্তানের মধ্যবর্তী অঞ্চলে দেশটির অবস্থান।
মোট এলাকা ১৬,৪৮,০০০ বর্গকিলোমিটার।
স্থলভাগ ১৬,৩৬,০০০ বর্গকিলোমিটার।
জলভাগ ১২,০০০ বর্গকিলোমিটার।
স্থল সীমান্ত ৫,৪৪০ কিলোমিটার; সীমান্তবর্তী দেশ আফগানিস্তান ৯৩৬ কিলোমিটার, আর্মেনিয়া ৩৫ কিলোমিটার, আজারবাইজান প্রপার ৪৩২ কিলোমিটার, আজারবাইজান ন্যাক্সসিভেন এক্সক্লেভ ১৭৯ কিলোমিটার, ইরাক ১,৪৫৮ কিলোমিটার, পাকিস্তান ৯০৯ কিলোমিটার, তুরস্ক ৪৯৯ কিলোমিটার, তুর্কমেনিস্তান ৯৯২ কিলোমিটার।
সমুদ্র উপকুলীয় ভূমি ২,৪৪০ কিলোমিটার।
প্রধান নদী কারখেহ, জাহরেহ, মান্দ, আটরেক।
উচ্চতম অঞ্চল মাউন্ট দামাভন্দ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮,৩৮৬ ফুট (৫,৬০৪ মিটার) উঁচু।
নিম্নতম অঞ্চল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯২ ফুট (২৮ মিটার) নিচু।
আবহাওয়া প্রধান শুষ্ক অথবা প্রায় শুষ্ক; কাস্পিয়ান উপকুল বরাবর জলবায়ু প্রায় গ্রীষ্মমণ্ডলীয়।
প্রাকৃতিক সম্পদ খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, ক্রোমিয়াম, তামা, লোহা, সিসা, ম্যাঙ্গানিজ, দস্তা, সালফার।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ খরা, বন্যা, ধূলিঝড়, বালিঝড়, উত্তর-পূর্বাংশ এবং পশ্চিম সীমান্ত বরাবর ভূমিকম্প।
ঐতিহাসিক পটভূমি প্রায় এক লক্ষ বছর পূর্বে ইরানে মানব বসতির প্রমাণ পাওয়া যায়। তবে ঐতিহাসিক ঘটনার সূচনা দেখা যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৩,০০০ বছর পূর্বে। এ সময় ইলামাইটরা এ অঞ্চল শাসন করত। ৭২৮ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এখানে মেডেস আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হলেও পারস্যের আক্রমণে (৫৫০ খ্রিষ্টপূর্ব) এরা টিকতে পারেনি। ৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে এই অঞ্চল আলেকজান্ডারের হস্তগত হয়। পার্থিয়ানরা এখানে একটি গ্রিকভাষী সাম্রাজ্যের পত্তন করে, যা ২৪৮ থেকে ২২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত টিকে ছিল। আরব মুসলমানরা এখানে প্রবেশ করে ৬৪০ খ্রিষ্টাব্দে এবং তারা ইরানে টানা ৮৫০ বছর অধিকার বজায় রাখে। ১৫০২ থেকে ১৭৩৯ সাল পর্যন্ত সাফাভিদদের নিয়ন্ত্রণে ছিল ইরান। ১৯ শতকে দেশটি রাশিয়া ও ইংল্যান্ডের অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণের শিকার হয়। সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে (১৯২১) রেজা খান ইরানের ক্ষমতা দখল করেন। তার পুত্র রেজা শাহ পাহলবী ইরানকে পশ্চিমা ধাঁচে আধুনিকীকরণের পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ইরান ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত পারস্য নামে পরিচিত ছিল।         ক্ষমতাসীন শাহ-এর বলপূর্বক নির্বাসনের পর ১৯৭৯ সালে ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়। রক্ষণশীল ধর্মানুরাগী শক্তি একটি ধর্মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা করে। ১৯৭৯ সালের ৪ নভেম্বর একদল ইরানি শিক্ষার্থী তেহরানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস দখল করে। এই দখল     ১৯৮১ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত বজায় ছিল। ১৯৮০-৮৮ সালের মধ্যে ইরান ইরাকের সঙ্গে একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এর সূত্রে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ক্রমে বড় হতে থাকে। এতে ইরানের স্থিতিশীলতাও অনেকটা বিপন্ন হয়। সরকারের প্রতি জনগণের অসন্তোষ অনেকটা বৃদ্ধি পায়।
জাতীয়তা ইরানি।
জনসংখ্যা ৬,৯০,১৮,৯২৪ জন (২০০৪)।
জন্মহার প্রতি হাজারে ১৭.১ জন (২০০৪)।
মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ৫.৫৩ জন (২০০৪)।
গড় আয়ু পুরুষ ৬৮.৩১ বছর, মহিলা ৭১.০৭ বছর (২০০৪)।
ধর্ম শিয়া মুসলমান ৮৯%, সুন্নি মুসলমান ১০%, জরুস্ট্রারবাদী, ইহুদি, খ্রিষ্টান এবং বাহাই ১%।
ভাষা পারসীয় ভাষার ৫৮%, তুর্কি এবং তুর্কি ভাবধারার ২৬%, কুর্দি ৯%, লুরি ২%, বালুচি ১%, আরবি ১%, খাঁটি তুর্কি ১%, অন্যান্য ২%।
শিক্ষিতের হার ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে মোট জনসংখ্যার ৭৯.৪% শিক্ষিত; পুরুষ ৮৫.৬%, মহিলা ৭৩% (২০০৩)।
বসবাসকারী জাতিগোষ্ঠী পার্সীয় ৫১%, আজেরি ২৪%, গিলাকি এবং মাজান্দারানি ৮%, কুর্দ ৭%, আরব ৩%, লুর ২%, বালুচ ২%, তুর্কমেন ২%, অন্যান্য ১%।
দেশটির সরকারি নাম ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান।
সরকার পদ্ধতি ধর্মতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।
রাষ্ট্রপ্রধান প্রেসিডেন্ট।
সরকারপ্রধান প্রেসিডেন্ট।
রাজধানী তেহরান।
প্রশাসনিক বিভাগ ২৮টি প্রদেশ।
মুদ্রা ইরানি রিয়াল (IRR)
স্বাধীনতা লাভ ১ এপ্রিল ১৯৭৯।
রাজস্ব বাজেট ৪০.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)।
সামরিক বাহিনী দায়িত্বে নিয়োজিত মোট সৈন্যসংখ্যা ৫১৩০০০; বিপ্লবী গার্ডবাহিনী ২৪.৪%, স্থলবাহিনী ৬৩.৪%, নৌবাহিনী     ৩.৫%, বিমানবাহিনী ৮.৭% (২০০০)।
রেলপথ ৭,২০১ কিলোমিটার।
সড়কপথ ১৪০,২০০ কিলোমিটার।
জলপথ ৯০৪ কিলোমিটার।
পাইপলাইন অপরিশোধিত তেলের জন্য ৫,৯০০ কিলোমিটার, খনিজ তেলজাত দ্রব্যের জন্য ৩,৯০০ কিলোমিটার, প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য ৪,৫৫০ কিলোমিটার।
বন্দর ও পোতাশ্রয় আরাদান (ব্যাপকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১৯৮০-৮৮ সালের যুদ্ধের সময়), আহবাজ, বন্দর আব্বাস, বন্দর-ই অঞ্জালি, বুশেহর, বন্দর-ইমাম খোমেনি, বন্দর-ই লেঙ্গেহ, বন্দর-ই মাহশাহর, বন্দর-ই তুর্কামান, চাবাহার, জাজিরেহ-ই খার্ক, জাজিরাহ ইয়েলাভান, জাজিরাহ ইয়েসিররি, খোরামশাহর (১৯৯২ সাল পর্যন্ত অল্প কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়), নও শহর।
বিমানবন্দর ২৬১টি।
মোট দেশজ    
উৎপাদন (GDP) ৪৭৮.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০০৩)।
মোট মাথাপিছু    
উৎপাদন ৭০০০ মার্কিন ডলার (২০০৩)।
প্রধান রপ্তানি দ্রব্য সামুদ্রিক মাছের ডিম, তুলা, শুকনো ফল, খনিজ দ্রব্য, বাদাম, গালিচা, পেট্রোলিয়াম, মসলা।
আমদানি দ্রব্য খাদ্য, যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি, ওষুধ, সামরিক সরঞ্জামাদি।
বাণিজ্য সহযোগী    
রাষ্ট্রসমূহ জাপান, গ্রেট ব্রিটেন, তুরস্ক, স্পেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জার্মানি, ইতালি।